ইসলামের দৃষ্টিতে ইঞ্জিল: ঈসা (আ.)-এর ওপর নাজিলকৃত আসল ইঞ্জিল

আব্দুর রহমান
আব্দুর রহমান
১০ জুন, ২০২৬·৩২

ইসলামের দৃষ্টিতে ইঞ্জিল বুঝতে হলে আগে জানতে হবে, ইঞ্জিল ছিল মহান আল্লাহর নাজিল করা সত্য কিতাব, যা হযরত ঈসা (আ.)-এর ওপর অবতীর্ণ হয়েছিল। আজকের প্রচলিত বাইবেল বা গসপেল নিয়ে অনেকের মনেই নানা প্রশ্ন থাকে। এই লেখায় আমরা সহজ ভাষায় আসল ইঞ্জিল, বর্তমান বাইবেলের সাথে এর পার্থক্য, কুরআনের শিক্ষা, মুসলিম আকিদা বা বিশ্বাসের সঠিক অবস্থান আর সাধারণ ভুল ধারণাগুলো পরিষ্কারভাবে জানব।

ইসলামের দৃষ্টিতে ইঞ্জিল বলতে কী বোঝায়?

ইসলামে ইঞ্জিল বলতে মূলত ইঞ্জিল কিতাবের আসল পরিচয়কে বোঝায়। ইঞ্জিল কোনো মানুষের লেখা জীবনকথা বা জীবনী ছিল না। এটি ছিল মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে নাজিল হওয়া হিদায়াত বা পথনির্দেশ, যা হযরত ঈসা (আ.)-এর ওপর দেওয়া হয়েছিল। মুসলিমরা তাই আসল ইঞ্জিলকে সম্মান করে। কারণ আল্লাহর কিতাবসমূহের প্রতি ঈমান আনা ইসলামের মূল বিশ্বাসের (আকিদা) একটি অপরিহার্য অংশ।

সহজ কথায়, ইঞ্জিল ছিল তাওহিদ বা একত্ববাদের ডাক। এতে মানুষকে এক আল্লাহর ইবাদত, পবিত্র জীবনযাপন, দয়া, ন্যায়বিচার আর আখিরাতের জবাবদিহির দিকে ডাকা হয়েছিল। পবিত্র কুরআন আগের সত্য কিতাবগুলোর কথা স্বীকার করে, আবার নিজেকে শেষ ও সংরক্ষিত কিতাব হিসেবে তুলে ধরে। তাই মুসলিমদের বিশ্বাসে ইঞ্জিল সম্মানের হলেও চূড়ান্ত মানদণ্ড হলো পবিত্র কুরআন।

হযরত ঈসা (আ.)-এর ওপর নাজিলকৃত আসল ইঞ্জিল কী ছিল?

আসল ইঞ্জিল ছিল মহান আল্লাহর বাণী। এটি হযরত ঈসা (আ.)-এর ওপর নাজিল হয়েছিল, ঠিক যেমন তাওরাত হযরত মূসা (আ.)-এর ওপর আর কুরআন আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর নাজিল হয়েছে। পবিত্র কুরআনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, আল্লাহ তায়ালা হযরত ঈসা (আ.)-কে ইঞ্জিল দিয়েছেন, যাতে ছিল হিদায়াত ও আলো। এই বিশ্বাসটি মুসলিমদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তবে এখানে একটি বিষয় গভীরভাবে বুঝতে হবে। মুসলিমরা বিশ্বাস করে, আসল ইঞ্জিল ছিল ওহি বা প্রত্যাদেশ। কিন্তু আজ মানুষের হাতে যে গসপেল বা নতুন নিয়ম আছে, তা সরাসরি সেই নাজিল হওয়া ইঞ্জিলের পূর্ণ ও অক্ষত কপি নয়। এগুলো মূলত হযরত ঈসা (আ.)-এর পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়ার অনেক পরে লেখা বিভিন্ন বিবরণ, চিঠি ও ধর্মীয় লেখার সংকলন। তাই আমরা এগুলোকে সম্মানজনকভাবে দেখি, কিন্তু কুরআনের মতো নিশ্চিত সংরক্ষিত ওহি বলে মানি না।

ইঞ্জিল নিয়ে মুসলিম বিশ্বাসের মূল কথা

ইসলামে ইঞ্জিল নিয়ে মুসলিম ঈমানের প্রথম কথা হলো, আল্লাহ যা নাজিল করেছেন তা চিরসত্য। আমরা আল্লাহর সকল কিতাবসমূহের ওপর ঈমান রাখি। কুরআন আমাদের শেখায়, মুসলিমরা আল্লাহ, ফেরেশতা, কিতাব, রাসূল, আখিরাত ও তাকদিরে বিশ্বাস করে। তাই আসল ইঞ্জিলকে অস্বীকার করা কোনো মুসলিমের কাজ হতে পারে না।

দ্বিতীয় কথা হলো, আগের কিতাবের আসল শিক্ষা আর আজকের সম্পাদিত বা সংকলিত ধর্মগ্রন্থ এক জিনিস নয়। আমরা হযরত ঈসা (আ.)-কে আল্লাহর মহান রাসূল হিসেবে মানি। আমরা তাঁর মাতা মরিয়ম (আ.)-কে অত্যন্ত সম্মান করি। কিন্তু আমরা হযরত ঈসা (আ.)-কে আল্লাহর পুত্র বা উপাস্য মানি না। তাওহিদ বা একত্ববাদই এখানে মূল বিষয়, যা অত্যন্ত পরিষ্কার।

ইঞ্জিল, গসপেল এবং নতুন নিয়ম কি একই জিনিস?

অনেকেই ভাবেন, ইঞ্জিল মানেই আজকের প্রচলিত চারটি গসপেল। কিন্তু ইসলামি দৃষ্টিতে বিষয়টি সম্পূর্ণ আলাদা। ইঞ্জিল ছিল হযরত ঈসা (আ.)-এর ওপর নাজিল হওয়া সরাসরি আল্লাহর বাণী। আর আজকের গসপেল হলো হযরত ঈসা (আ.)-এর জীবন, কথা ও ঘটনার ওপর ভিত্তি করে লেখা চারটি আলাদা বিবরণ। এগুলোর লেখক, ভাষা, সময় ও উদ্দেশ্য নিয়ে খ্রিষ্টান গবেষকদের মধ্যেও বিস্তর আলোচনা ও মতভেদ রয়েছে।

নতুন নিয়ম হলো আরও বড় একটি সংকলন। এতে চার গসপেল ছাড়াও বিভিন্ন চিঠি, ইতিহাসধর্মী লেখা ও ভবিষ্যদ্বাণীমূলক অংশ রয়েছে। তাই মুসলিমরা সবকিছুকে একই নামে ডাকে না। আমরা বিশ্বাস করি, আসল ইঞ্জিল আল্লাহর ওহি ছিল। আজকের বইগুলোতে কিছু সত্য শিক্ষা থাকতে পারে, কিন্তু সেগুলো সর্বদা কুরআনের আলোকে যাচাই করা হবে। এটাই সত্যের পথে চলার সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।

পবিত্র কুরআন কেন ইঞ্জিলের কথা বলে?

কুরআন ইঞ্জিলের কথা বলে, কারণ সব নবীর দাওয়াতের মূল বাণী ছিল একই—এক আল্লাহর ইবাদত করা। হযরত নূহ (আ.) থেকে শুরু করে হযরত মুহাম্মদ (সা.) পর্যন্ত সকল রাসূল মানুষকে শিরক বা অংশীদারিত্ব ছেড়ে এক আল্লাহর দিকে ডেকেছেন। ইঞ্জিল এই ধারারই একটি সত্য কিতাব। তাই কুরআন ইঞ্জিলকে মুছে দেয় না; বরং তার আসল মর্যাদা ও সত্যতা নিশ্চিত করে।

এর পেছনে আরও একটি কারণ রয়েছে। পবিত্র কুরআন নিজেকে আগের কিতাবগুলোর সত্য অংশের সমর্থক এবং ভুল মিশ্রণের ওপর চূড়ান্ত বিচারক হিসেবে তুলে ধরে। এর মানে হলো, আগের কিতাবের কোনো কথা কুরআনের সাথে মিলে গেলে আমরা বলি এটি সত্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আর কুরআনের স্পষ্ট তাওহিদের বিপরীত কোনো কথা থাকলে আমরা তা গ্রহণ করি না। এতে আমাদের ঈমান নিরাপদ থাকে।

মুসলিমরা বর্তমান বাইবেলকে কীভাবে মূল্যায়ন করবে?

অন্য ধর্মের গ্রন্থ নিয়ে কথা বলার সময় মুসলিমদের আচরণে ভদ্রতা ও শিষ্টাচার থাকা অত্যন্ত জরুরি। বর্তমান বাইবেল নিয়ে কথা বলার সময় ঠাট্টা, অপমান বা ঝগড়া করা একেবারেই অনুচিত। ইসলাম আমাদের সর্বোত্তম আদব শেখায়। আমরা বলি, আল্লাহর নাজিল করা আসল ইঞ্জিল পুরোপুরি সত্য ছিল। কিন্তু আজকের বাইবেলকে আমরা কুরআনের মতো অবিকৃত ও বাধ্যতামূলক শরিয়তের উৎস বলে মনে করি না।

কেউ যদি তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব সম্পর্কে জানতে চান, তবে তিনি কোনো জ্ঞানী আলেমের সাহায্য নিতে পারেন। সাধারণ মুসলিমের জন্য সবচেয়ে জরুরি হলো নিজের আকিদা বা বিশ্বাস ঠিক রাখা। কুরআন পড়া, রাসূল (সা.)-এর সুন্নাহ জানা, আর হযরত ঈসা (আ.)-এর ব্যাপারে ইসলামের সঠিক বিশ্বাস অন্তরে ধারণ করা। অযথা বিতর্কে জড়ালে জীবনের বরকত কমে যায়। তাই জ্ঞান অন্বেষণ হোক শান্ত ও সম্মানজনক।

হযরত ঈসা (আ.)-কে নিয়ে ইসলামের অবস্থান

হযরত ঈসা (আ.) ইসলামে অত্যন্ত মর্যাদাবান একজন নবী। তিনি বনী ইসরাঈলের কাছে পাঠানো আল্লাহর বিশেষ রাসূল। আল্লাহর অনুমতিতে তিনি অনেক মুজিজা বা অলৌকিক ঘটনা দেখিয়েছেন। তিনি জন্মগতভাবে পবিত্র ছিলেন এবং তাঁর মাতা হযরত মরিয়ম (আ.) ছিলেন এক মহান ও পুণ্যবতী নারী। মুসলিমরা সর্বদা তাঁদের নাম গভীর শ্রদ্ধার সাথে উচ্চারণ করে।

তবে ইসলাম হযরত ঈসা (আ.)-কে আল্লাহ বলে না। তাঁকে আল্লাহর পুত্র বলেও স্বীকার করে না। তিনি কেবলই মহান আল্লাহর একনিষ্ঠ বান্দা ও রাসূল। এই বিশ্বাসটি ইসলামে ইঞ্জিলের সঠিক অবস্থান বোঝার জন্য খুবই দরকার। কারণ আসল ইঞ্জিলের মূল শিক্ষাই ছিল এক আল্লাহর দিকে ফিরে আসা। পবিত্র কুরআন এই তাওহিদের বার্তাকেই শেষবারের মতো অত্যন্ত পরিষ্কার করে দিয়েছে।

ইসলামে ইঞ্জিল নিয়ে সাধারণ ভুল ধারণাসমূহ

ইসলামে ইঞ্জিল নিয়ে প্রথম ভুল ধারণা হলো, অনেকেই মনে করেন মুসলিমরা ইঞ্জিল মানে না। প্রকৃতপক্ষে, মুসলিমরা আসল ইঞ্জিলের ওপর দৃঢ় ঈমান রাখে। আমরা বিশ্বাস করি, আল্লাহ তায়ালা হযরত ঈসা (আ.)-এর ওপর সত্য কিতাব নাজিল করেছিলেন। কিন্তু আমরা আজকের দিনের পরিবর্তিত লেখাগুলোকে আসল ইঞ্জিলের সমান বলে মানি না।

দ্বিতীয় ভুল ধারণা হলো, হযরত ঈসা (আ.)-কে সম্মান করার অর্থই হলো খ্রিষ্টীয় বিশ্বাস মেনে নেওয়া। এটি মোটেও ঠিক নয়। ইসলাম আমাদের হযরত ঈসা (আ.)-কে ভালোবাসতে শেখায়, কিন্তু কখনোই তাওহিদ ছাড়তে বলে না। তৃতীয় ভুলটি হলো, আগের কিতাব সম্পর্কে জানার কোনো প্রয়োজন নেই—এমনটা ভাবা। আসলে জানার দরকার আছে, তবে কুরআনকে চূড়ান্ত মানদণ্ড হিসেবে রেখে। এতে ঈমান আরও মজবুত হয়।

আধুনিক জীবনে এই বিশ্বাসের ব্যবহারিক উপকারিতা

এই বিষয়টি নিছক কোনো বইয়ের আলোচনা নয়। ইসলামে ইঞ্জিলের অবস্থান সঠিকভাবে বুঝলে একজন মুসলিম অন্য ধর্মের মানুষকে সম্মান করতে শেখে, আবার নিজের ঈমানকেও কলুষমুক্ত রাখে। সে বুঝতে পারে, সব নবীই মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে এসেছেন। তাই নবীদের মধ্যে কোনো ধরনের শত্রুতা বা বিভেদ তৈরি করা একেবারেই অনুচিত।

এর আরেকটি বড় উপকার হলো, দ্বীনের দাওয়াতের ভাষা সুন্দর ও মার্জিত হয়। আপনি যখন হযরত ঈসা (আ.)-এর সঠিক মর্যাদা জানবেন, তখন খ্রিষ্টান বন্ধু বা প্রতিবেশীর সাথে কথা বলা অনেক সহজ হবে। আপনি তর্কে না জড়িয়ে শান্তভাবে বলতে পারবেন, আমরাও হযরত ঈসা (আ.)-কে ভালোবাসি, কিন্তু তাঁকে আল্লাহ বা উপাস্য বানাই না। এই ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গিই হলো ইসলামের প্রকৃত সৌন্দর্য।

ইসলামে ইঞ্জিল সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)

ইসলামের দৃষ্টিতে ইঞ্জিল বলতে কী বোঝায়?
ইসলামের দৃষ্টিতে ইঞ্জিল বলতে হযরত ঈসা (আ.)-এর ওপর মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে নাজিল হওয়া সত্য কিতাবকে বোঝায়। মুসলিমরা আসল ইঞ্জিলে ঈমান রাখে, তবে বর্তমান গসপেল বা বাইবেলকে সেই আসল ওহির পূর্ণ অবিকৃত রূপ মনে করে না।
আসল ইঞ্জিল কি আজও অবিকৃত আছে?
মুসলিম বিশ্বাস অনুযায়ী, আসল নাজিল হওয়া ইঞ্জিল আজ পূর্ণ ও অক্ষত অবস্থায় মানুষের হাতে নেই। আজকের নতুন নিয়মে কিছু সত্য শিক্ষা থাকতে পারে, কিন্তু মুসলিমরা কুরআনকে শেষ, সংরক্ষিত ও চূড়ান্ত মানদণ্ড হিসেবে গ্রহণ করে।
ইঞ্জিল আর গসপেল কি একই জিনিস?
না, ইসলামি পরিভাষায় আসল ইঞ্জিল হলো হযরত ঈসা (আ.)-এর ওপর নাজিল হওয়া সরাসরি আল্লাহর ওহি। আর গসপেল বলতে সাধারণত হযরত ঈসা (আ.)-এর জীবন ও কথার ওপর ভিত্তি করে লেখা চারজন লেখকের আলাদা বিবরণ বোঝায়। তাই দুটিকে এক করে দেখা ঠিক নয়।
মুসলিমরা কি বাইবেল পড়তে পারে?
জ্ঞান অন্বেষণ, তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব বা দাওয়াহর প্রয়োজনে আলেমদের নির্দেশনা নিয়ে এটি পড়া যেতে পারে। তবে সাধারণ মুসলিমের জন্য কুরআন ও সহিহ সুন্নাহ শেখাই আগে জরুরি। সন্দেহ তৈরি হলে অবশ্যই জ্ঞানী আলেমের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।
হযরত ঈসা (আ.)-এর ব্যাপারে মুসলিমদের বিশ্বাস কী?
মুসলিমরা হযরত ঈসা (আ.)-কে আল্লাহর মহান রাসূল হিসেবে মানে। তাঁর জন্ম ছিল বিশেষ মুজিজা, আর তাঁর মাতা মরিয়ম (আ.) অত্যন্ত সম্মানিতা। কিন্তু মুসলিমরা হযরত ঈসা (আ.)-কে আল্লাহ বা আল্লাহর পুত্র বলে মানে না। এটিই তাওহিদের মূল শিক্ষা।
ইঞ্জিলের কথা পবিত্র কুরআনে কেন এসেছে?
কুরআন ইঞ্জিলের কথা বলেছে, কারণ সেটি আল্লাহর নাজিল করা কিতাব ছিল। এতে হিদায়াত ও আলোর দিশা ছিল। কুরআন আগের কিতাবের সত্য মর্যাদা জানায় এবং নিজেকে শেষ সংরক্ষিত কিতাব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে।

শেষ কথা: ইঞ্জিল নিয়ে আমাদের ভারসাম্যপূর্ণ ঈমান

ইসলামের দৃষ্টিতে ইঞ্জিল আমাদের শেখায়, মহান আল্লাহর সকল সত্য কিতাবকে সম্মান করতে হবে। আসল ইঞ্জিল ছিল হযরত ঈসা (আ.)-এর ওপর নাজিল করা সত্য হিদায়াত। এই বিশ্বাস একজন মুসলিমের ঈমানের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই আমরা ইঞ্জিলকে অস্বীকার করি না, বরং তার আসল মর্যাদা স্বীকার করি।

একই সঙ্গে আমরা গভীরভাবে বিশ্বাস করি, পবিত্র কুরআন হলো আল্লাহর শেষ ও অবিকৃত কিতাব। তাই আগের যেকোনো বর্ণনাকে কুরআনের আলোকেই যাচাই করে বুঝতে হবে। এভাবেই একজন মুসলিম সম্মান, সঠিক জ্ঞান আর তাওহিদের ওপর মজবুতভাবে দাঁড়িয়ে কথা বলে। মহান আল্লাহ আমাদের সঠিক ঈমান ও সুন্দর আদব দান করুন। আমীন।

তথ্যসূত্র

  1. আল-কুরআন, সূরা আলে-ইমরান ৩:৩-৪
  2. আল-কুরআন, সূরা আল-মায়িদাহ ৫:৪৬-৪৭
  3. আল-কুরআন, সূরা আল-হাদিদ ৫৭:২৭
  4. আল-কুরআন, সূরা আল-বাকারাহ ২:১৩৬
  5. সহিহ মুসলিম, ঈমান সম্পর্কিত জিবরাঈল (আ.)-এর হাদিস
আব্দুর রহমান

আব্দুর রহমান

এসইও স্পেশালিস্ট ও কনটেন্ট রাইটার

আব্দুর রহমান একজন এসইও স্পেশালিস্ট এবং ইসলামিক কনটেন্ট রাইটার। তিনি ফিকহ, দৈনন্দিন ইবাদত, নামাজ, পারিবারিক দিকনির্দেশনা এবং বাস্তব মুসলিম জীবনধারা নিয়ে সহজ প্রবন্ধ লেখেন, যাতে পাঠকরা প্রতিদিনের জীবনে ইসলাম অনুসরণ করতে পারেন।

আপডেট থাকুন

আমাদের সর্বশেষ আপডেট ও রিলিজ মিস করবেন না