২/২১৫. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১০৬৭ - জুমা কার উপর ফরজ
কৃতদাস ও নারীদের জুমুয়ার সালাত আদায় প্রসঙ্গে
জুমার সালাত কার উপর ফরজ?
সুনানে আবূ দাউদ : ১০৬৭
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১০৬৭
حَدَّثَنَا عَبَّاسُ بْنُ عَبْدِ الْعَظِيمِ، حَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا هُرَيْمٌ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْتَشِرِ، عَنْ قَيْسِ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ طَارِقِ بْنِ شِهَابٍ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ «الْجُمُعَةُ حَقٌّ وَاجِبٌ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ فِي جَمَاعَةٍ إِلاَّ أَرْبَعَةً عَبْدٌ مَمْلُوكٌ أَوِ امْرَأَةٌ أَوْ صَبِيٌّ أَوْ مَرِيضٌ». قَالَ أَبُو دَاوُدَ طَارِقُ بْنُ شِهَابٍ قَدْ رَأَى النَّبِيَّ ﷺ وَلَمْ يَسْمَعْ مِنْهُ شَيْئًا .
তারিক ইবনু শিহাব (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেনঃ জুমু’আহর সালাত সত্য- যা প্রত্যেক মুসলিমের উপর জামা‘আতের সাথে আদায় করা ফরজ। তবে চার শ্রেণীর লোকের জন্য ফরজ নয়ঃ ক্রীতদাস, নারী, শিশু ও রোগী। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ত্বারিক্ব ইবনু শিহাব (রাঃ) নবী (ﷺ)-কে দেখেছেন, কিন্তু তাঁর থেকে কিছু শুনেননি।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১০৬৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, জুমার সালাত সত্য এবং প্রত্যেক মুসলিমের ওপর জামাআতের সঙ্গে আদায় করা ফরজ। তবে চার শ্রেণির মানুষের জন্য তা ফরজ নয়—ক্রীতদাস, নারী, শিশু ও রোগী। হাদিসের শেষে ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বর্ণনাকারী ত্বারিক ইবনু শিহাব (রাঃ) সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন যে, তিনি নবী (صلى الله عليه وسلم)-কে দেখেছেন, কিন্তু তাঁর কাছ থেকে কিছু শুনেননি। তাই হাদিসটি পড়ার সময় মূল বক্তব্য এবং বর্ণনা-সংক্রান্ত মন্তব্য দুটিই খেয়াল রাখা দরকার। এই হাদিস জুমার সালাত, জুমা কার উপর ফরজ এবং জুমার ছাড় বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এতে জুমার গুরুত্ব স্পষ্ট, আবার নির্দিষ্ট কিছু মানুষের জন্য ছাড়ের কথাও পরিষ্কারভাবে এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জুমার সালাত জামাআতের সঙ্গে আদায়ের গুরুত্ব আছে।
- হাদিসে চার শ্রেণির মানুষের জন্য জুমার ফরজ না হওয়ার কথা এসেছে।
- রোগীর ক্ষেত্রে কষ্ট বিবেচনা করা হয়েছে।
- হাদিসের বর্ণনাকারী সম্পর্কে ইমামদের মন্তব্য জানা উপকারী।
