২/২২৯. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১১০১ - জুমার খুতবার মধ্যপন্থা
ধনুকের উপর ভর দিয়ে খুতবা দেয়া
জুমার খুতবা কেমন হওয়া উচিত
সুনানে আবূ দাউদ : ১১০১
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১১০১
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ سُفْيَانَ، قَالَ حَدَّثَنِي سِمَاكٌ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ كَانَتْ صَلاَةُ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ قَصْدًا وَخُطْبَتُهُ قَصْدًا يَقْرَأُ آيَاتٍ مِنَ الْقُرْآنِ وَيُذَكِّرُ النَّاسَ .
জাবির ইবনু সামুরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সালাত ছিলো নাতিদীর্ঘ এবং তাঁর খুত্ববাহও ছিলো নাতিদীর্ঘ। তিনি খুত্ববাহর মধ্যে কোরআনের কিছু আয়াত পাঠ করতেন এবং লোকদের উপদেশ দিতেন।
[১১০১]
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১১০১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর জুমার খুতবা ও সালাতের সুন্দর ধরন তুলে ধরা হয়েছে। তাঁর সালাত ছিল নাতিদীর্ঘ, আবার খুতবাও ছিল নাতিদীর্ঘ। অর্থাৎ তিনি এমনভাবে সালাত ও খুতবা আদায় করতেন, যা মানুষের জন্য সহজ, ভারসাম্যপূর্ণ এবং উপকারী ছিল। জুমার খুতবার মূল বিষয় ছিল কুরআনের আয়াত পাঠ করা এবং মানুষকে উপদেশ দেওয়া। তাই এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, খুতবার আসল সৌন্দর্য শুধু দীর্ঘ কথায় নয়; বরং কুরআনের আলো, পরিষ্কার নসিহত এবং মানুষের উপকারে। যারা জুমার খুতবা নিয়ে জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস নববী পদ্ধতির সহজ দিক দেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জুমার খুতবায় কুরআনের আয়াত পাঠ করা নববী আমলের অংশ।
- খুতবা এমন হওয়া ভালো, যা মানুষ বুঝতে পারে এবং উপকৃত হয়।
- সালাত ও খুতবায় পরিমিতি বজায় রাখা রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর আদর্শ।
- মানুষকে উপদেশ দেওয়াই খুতবার গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য।
