২/২৩৫. অধ্যায়ঃ

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১১১৩ - জুমায় তিন ধরনের মানুষ

খুতবার সময় (মুসল্লিদের) কথা বলা সম্পর্কে

জুমার সালাতে তিন ধরনের মানুষের শিক্ষা

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১১১৩

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، وَأَبُو كَامِلٍ قَالاَ حَدَّثَنَا يَزِيدُ، عَنْ حَبِيبٍ الْمُعَلِّمِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ " يَحْضُرُ الْجُمُعَةَ ثَلاَثَةُ نَفَرٍ رَجُلٌ حَضَرَهَا يَلْغُو وَهُوَ حَظُّهُ مِنْهَا وَرَجُلٌ حَضَرَهَا يَدْعُو فَهُوَ رَجُلٌ دَعَا اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ إِنْ شَاءَ أَعْطَاهُ وَإِنْ شَاءَ مَنَعَهُ وَرَجُلٌ حَضَرَهَا بِإِنْصَاتٍ وَسُكُوتٍ وَلَمْ يَتَخَطَّ رَقَبَةَ مُسْلِمٍ وَلَمْ يُؤْذِ أَحَدًا فَهِيَ كَفَّارَةٌ إِلَى الْجُمُعَةِ الَّتِي تَلِيهَا وَزِيَادَةُ ثَلاَثَةِ أَيَّامٍ وَذَلِكَ بِأَنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ يَقُولُ { مَنْ جَاءَ بِالْحَسَنَةِ فَلَهُ عَشْرُ أَمْثَالِهَا } " .

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) বলেছেনঃ মসজিদে জুমু’আহর সালাতে তিন ধরনের লোক এসে থাকে। এক শ্রেণীর লোক জুমু’আহয় উপস্থিত হয়ে অনর্থক কথা ও কাজে লিপ্ত হয়। সে তার আমল অনুসারেই তার অংশ পাবে। আরেক শ্রেণীর লোক জুমু’আহয় এসে দোয়া করে, মহান ও সর্বশক্তিমান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করে। তিনি ইচ্ছে করলে তাদের দোয়া কবুল করতে পারেন অথবা নাও করতে পারেন।আরেক শ্রেণীর লোক জুমু’আহয় উপস্থিত হয়ে চুপচাপ থাকে, কোন মুসলিমের ঘাড় ডিঙ্গিয়ে যায় না এবং কাউকে কষ্ট দেয় না। এই কাজ গুলো ঐ ব্যক্তির জন্য ঐ জুমু’আহ হতে পরবর্তী জুমু’আহ পর্যন্ত এবং অতিরিক্ত আরো তিনদিন পর্যন্ত গুনাহের কাফ্‌ফারা হবে কেননা মহান ও সর্বশক্তিমান আল্লাহ বলেছেন, “যে ব্যক্তি একটি নেকীর কাজ করবে বিনিময়ে তাকে তার দশ গুন সওয়াব দেয়া হবে” (সূরা আল-আনআমঃ ১৬০)।

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১১১৩-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) জুমার সালাতে উপস্থিত তিন ধরনের মানুষের কথা বলেছেন। এক শ্রেণি আসে, কিন্তু অনর্থক কথা ও কাজে লিপ্ত হয়; সে তার সেই আমল অনুযায়ী অংশ পায়। আরেক শ্রেণি দোয়া করে, আল্লাহ চাইলে দেন বা না-ও দিতে পারেন। তৃতীয় শ্রেণি চুপচাপ থাকে, কোনো মুসলিমের ঘাড় ডিঙায় না এবং কাউকে কষ্ট দেয় না। হাদিসে বলা হয়েছে, এই কাজগুলো তার জন্য পরবর্তী জুমা পর্যন্ত এবং আরও তিন দিনের গুনাহের কাফফারা হয়। এখানে জুমার আদব, নীরবতা, কাউকে কষ্ট না দেওয়া এবং দোয়ার বিষয় একসাথে এসেছে। এটি জুমার দিন উপস্থিতির মান ঠিক করার শিক্ষা দেয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • জুমায় উপস্থিত হয়েও অনর্থক কাজে জড়ানো থেকে বাঁচতে হবে।
  • জুমার দিনে দোয়া করা যেতে পারে; কবুল আল্লাহর ইচ্ছাধীন।
  • খুতবার সময় নীরব থাকা ও কাউকে কষ্ট না দেওয়া বড় আদব।
  • ঘাড় ডিঙিয়ে সামনে যাওয়া মুসলিমকে কষ্ট দেওয়ার কারণ হতে পারে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন