৫/২৩. অধ্যায়ঃ

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৩১৮ - সাহরীর সময় নবীজির বিশ্রাম

নবী (ﷺ)-এর রাতে সালাত আদায়ের সময়

রাতের ইবাদতের পর সাহরীর সময় বিশ্রামের ইশারা

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৩১৮

حَدَّثَنَا أَبُو تَوْبَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: مَا أَلْفَاهُ السَّحَرُ عِنْدِي إِلاَّ نَائِمًا، تَعْنِي النَّبِيَّ ﷺ.

'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

তিনি নবী (ﷺ) আমার নিকট যখনই ভোর করেছেন, (আমি তাঁকে) নিদ্রাবস্থায় পেয়েছি।

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৩১৮-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আয়িশা রাঃ সংক্ষেপে বলেন, সাহরীর সময় যখন নবী صلى الله عليه وسلم তাঁর কাছে থাকতেন, তখন তাঁকে নিদ্রাবস্থায় পাওয়া যেত। বর্ণনাটি খুব ছোট, তাই এর বাইরে বড় কোনো দাবি করা ঠিক নয়। তবে আগের ও পরের রাতের সালাত সম্পর্কিত বর্ণনাগুলোর সঙ্গে পড়লে দেখা যায়, নবী صلى الله عليه وسلم রাতের ইবাদত করতেন এবং কখনো সাহরীর সময় বিশ্রাম নিতেন। এই হাদিস আমাদের ভারসাম্যের একটি দিক মনে করিয়ে দেয়। রাতের সালাতের গুরুত্ব আছে, আবার শরীরের বিশ্রামও জীবনের অংশ। এখানে নির্দিষ্ট কোনো বিধান নয়, বরং আয়িশা রাঃ-এর দেখা একটি বাস্তব অবস্থা বর্ণিত হয়েছে। তাই ইবাদতের সঙ্গে বিশ্রামের প্রয়োজনও অবহেলা করা উচিত নয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নবী صلى الله عليه وسلم-এর রাতের জীবনেও ইবাদত ও বিশ্রামের ভারসাম্য ছিল।
  • সংক্ষিপ্ত হাদিস থেকে অতিরিক্ত দাবি করা উচিত নয়।
  • সাহরীর সময় বিশ্রামের কথাও বর্ণনায় এসেছে।
  • ইবাদতে ধারাবাহিকতার সঙ্গে শরীরের চাহিদাও বিবেচ্য।

এই সম্পর্কিত হাদিসসমূহ

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন