৭/২. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৪০৫ - ইমামের সূরা নাজম সিজদা
যার ধারণা, মুফাসসাল সূরাগুলোতে সিজদা নেই
ইমাম হয়ে সূরা নাজমে সিজদা না করার বর্ণনা
সুনানে আবূ দাউদ : ১৪০৫
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৪০৫
حَدَّثَنَا ابْنُ السَّرْحِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو صَخْرٍ، عَنِ ابْنِ قُسَيْطٍ، عَنْ خَارِجَةَ بْنِ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ بِمَعْنَاهُ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ كَانَ زَيْدٌ الإِمَامَ فَلَمْ يَسْجُدْ فِيهَا .
খারিজাহ ইবনু যায়িদ ইবনু সাবিত (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে নাবী (ﷺ) হতে বর্ণিতঃ
পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত।
[১] ইবনু খুযাইমাহ (হা/৫৬৬), সহিহ আবু দাউদ ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, যায়িদ (রাঃ) ইমাম হওয়া সত্ত্বেও সিজদা করেননি।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৪০৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি আগের বর্ণনার অনুরূপ। এখানে ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা যোগ করেছেন—যায়দ (রাঃ) ইমাম হওয়া সত্ত্বেও সূরা নাজমে সিজদা করেননি। তাই এই বর্ণনার মূল বিষয় হলো ইমামের তিলাওয়াত, সূরা নাজম এবং সিজদা তিলাওয়াত। হাদিসটি সংক্ষিপ্ত হলেও সিজদা তিলাওয়াতের আলোচনায় এটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এতে ইমাম থাকা অবস্থায় সিজদা না করার একটি ঘটনা এসেছে। তবে এই তথ্য থেকে নিজের পক্ষ থেকে বাড়তি বিধান বানানো ঠিক নয়। সরাসরি বর্ণনাটি যা বলছে, তা হলো—যায়দ (রাঃ) সূরা নাজমে সিজদা করেননি, যদিও তিনি ইমাম ছিলেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইমামের তিলাওয়াতেও সিজদা তিলাওয়াতের বিষয়টি আলোচ্য হতে পারে।
- একই হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা কখনো অতিরিক্ত তথ্য দেয়।
- সূরা নাজমে সিজদা নিয়ে বিভিন্ন বর্ণনা রয়েছে।
- হাদিসের সংক্ষিপ্ত মন্তব্য থেকেও আমলি দিক বোঝা যায়।
