৮/১৫. অধ্যায়ঃ

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৪৫৮ - কুরআনের মহান সূরা ফাতিহা

সূরা আল-ফাতিহা

সূরা ফাতিহা কুরআনের মহামর্যাদার সূরা

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৪৫৮

حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ خُبَيْبِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ سَمِعْتُ حَفْصَ بْنَ عَاصِمٍ، يُحَدِّثُ عَنْ أَبِي سَعِيدِ بْنِ الْمُعَلَّى، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ مَرَّ بِهِ وَهُوَ يُصَلِّي فَدَعَاهُ قَالَ فَصَلَّيْتُ ثُمَّ أَتَيْتُهُ قَالَ فَقَالَ «مَا مَنَعَكَ أَنْ تُجِيبَنِي». قَالَ كُنْتُ أُصَلِّي . قَالَ «أَلَمْ يَقُلِ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ { يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اسْتَجِيبُوا لِلَّهِ وَلِلرَّسُولِ إِذَا دَعَاكُمْ لِمَا يُحْيِيكُمْ ﴿ لأُعَلِّمَنَّكَ أَعْظَمَ سُورَةٍ مِنَ الْقُرْآنِ أَوْ فِي الْقُرْآنِ». شَكَّ خَالِدٌ «قَبْلَ أَنْ أَخْرُجَ مِنَ الْمَسْجِدِ». قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَوْلَكَ. قَالَ «﴾ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ } وَهِيَ السَّبْعُ الْمَثَانِي الَّتِي أُوتِيتُ وَالْقُرْآنُ الْعَظِيمُ».

আবূ সা'ঈদ ইবনুল মু'আল্লা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

একদা তিনি সালাতে রত থাকাবস্থায় নবী (ﷺ) তাঁর পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তাঁকে ডাকলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি সালাত আদায় শেষে তাঁর নিকট এলে তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ আমার ডাকে সাড়া দিতে কিসে তোমাকে বাধা দিয়েছে? তিনি বললেন, আমি সালাত রত ছিলাম। তিনি বললেনঃ মহান আল্লাহ কি বলেননিঃ “হে মুমিনগণ! যখন আল্লাহ ও তাঁর রাসূল তোমাদেরকে এমন কিছুর দিকে ডাকে যা তোমাদেরকে প্রাণবন্ত করে। (সূরা আল-আনফালঃ ২৪) আমি মসজিদ থেকে বের হবার পূর্বেই তোমাকে কোরআনের অত্যধিক মর্যাদা সম্পন্ন একটি সূরা শিক্ষা দিবো।আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আপনার কথাটি স্মরণ রাখবো। তিনি (ﷺ) বললেনঃ “আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল ‘আলামীন”, এটি হচ্ছে সাত আয়াতবিশিষ্ট সূরা। আমাকে এটি এবং কোরআনুল ‘আযীম প্রদান করা হয়েছে।

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৪৫৮-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে সূরা ফাতিহার মর্যাদা একটি ঘটনার মাধ্যমে এসেছে। আবু সাঈদ ইবনু মুআল্লা (রাঃ) সালাতে ছিলেন। নবী (صلى الله عليه وسلم) তাঁর পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তাঁকে ডাকলেন। তিনি সালাত শেষ করে এলে নবী (صلى الله عليه وسلم) জিজ্ঞেস করলেন, আমার ডাকে সাড়া দিতে কী তোমাকে বাধা দিল? তিনি বললেন, আমি সালাতে ছিলাম। তখন রাসূল (صلى الله عليه وسلم) আল্লাহর ডাকে সাড়া দেওয়ার আয়াত স্মরণ করিয়ে দিলেন। এরপর তিনি জানালেন, মসজিদ থেকে বের হওয়ার আগে তিনি তাঁকে কুরআনের অত্যধিক মর্যাদা সম্পন্ন একটি সূরা শিক্ষা দেবেন। পরে তিনি বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহি রব্বিল আলামিন’—এটি সাত আয়াতবিশিষ্ট সূরা, যা তাঁকে দেওয়া হয়েছে, এবং কুরআনুল আযীম। এই হাদিসে সূরা ফাতিহার বিশেষ মর্যাদা পরিষ্কারভাবে এসেছে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • সূরা ফাতিহাকে কুরআনের বিশেষ মর্যাদার সূরা বলা হয়েছে।
  • রাসূল صلى الله عليه وسلم সাহাবীকে আল্লাহ ও রাসূলের ডাকে সাড়া দেওয়ার শিক্ষা দিয়েছেন।
  • সূরা ফাতিহা সাত আয়াতবিশিষ্ট সাব‘উ মাসানী হিসেবে এসেছে।
  • কুরআনের শিক্ষা গ্রহণে নবী صلى الله عليه وسلم-এর সরাসরি দিকনির্দেশনা গুরুত্বপূর্ণ।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন