৮/২০. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৪৭০ - কুরআন তিলাওয়াতের সুর
তারতীলের সাথে কুরআন তিলাওয়াত পছন্দনীয়
কুরআন তিলাওয়াতে মধুর সুরের পুনরায় গুরুত্ব
সুনানে আবূ দাউদ : ১৪৭০
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৪৭০
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرٍو، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي نَهِيكٍ، عَنْ سَعْدٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ مِثْلَهُ.
সা’দ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৪৭০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) সূত্রে পূর্বোক্ত হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা এসেছে। অর্থাৎ মধুর সুরে কুরআন পাঠের যে শিক্ষা আগের বর্ণনায় ছিল, এখানে সেই একই অর্থ আবার এসেছে। এতে বোঝা যায়, কুরআন তিলাওয়াতের সময় কণ্ঠকে সুন্দর করা এবং পাঠকে যত্নের সাথে করা একটি গুরুত্বপূর্ণ আদব। এখানে নতুন কোনো আলাদা ঘটনা নেই; বরং আগের কথাটির সমর্থন এসেছে। তাই এই হাদিসের ব্যাখ্যায় সীমা রাখা জরুরি। আমরা শুধু বলতে পারি, নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর শিক্ষা অনুযায়ী কুরআন পড়ার সময় অবহেলা নয়, বরং স্পষ্ট উচ্চারণ, সুন্দর কিরাআত এবং মধুর সুরের চেষ্টা থাকা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এই বর্ণনা আগের একই অর্থকে সমর্থন করে।
- কুরআন পাঠে সুন্দর কণ্ঠের চেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ।
- তিলাওয়াতে অবহেলা না করে যত্ন নেওয়ার শিক্ষা পাওয়া যায়।
- একই বিষয় একাধিক বর্ণনায় আসা তার গুরুত্ব বুঝতে সাহায্য করে।
