৮/২৩. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৪৮২ - পরিপূর্ণ বাক্যের দোয়ার গুরুত্ব
দোয়া সম্পর্কে
জামে দোয়া: অল্প কথায় দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ
সুনানে আবূ দাউদ : ১৪৮২
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৪৮২
حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنِ الأَسْوَدِ بْنِ شَيْبَانَ، عَنْ أَبِي نَوْفَلٍ، عَنْ عَائِشَةَ، رضى الله عنها قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ يَسْتَحِبُّ الْجَوَامِعَ مِنَ الدُّعَاءِ وَيَدَعُ مَا سِوَى ذَلِكَ .
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) পরিপূর্ণ বাক্যে দোয়া করা পছন্দ করতেন (যে দোয়ায় দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণের কথা থাকে), এছাড়া অন্যান্য দোয়া ত্যাগ করতেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৪৮২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) পরিপূর্ণ বাক্যে দোয়া করা পছন্দ করতেন। অর্থাৎ এমন দোয়া, যেখানে দুনিয়ার কল্যাণ এবং আখিরাতের কল্যাণ একসাথে চাওয়া হয়। তিনি এর বাইরে অন্যান্য দোয়া ত্যাগ করতেন—হাদিসের ভাষায় এটিই এসেছে। এখান থেকে বোঝা যায়, জামে দোয়া বা পূর্ণ অর্থবোধক দোয়া মুসলিম জীবনে বড় শিক্ষা দেয়। দীর্ঘ কথা বললেই দোয়া ভালো হয়—এমন নয়। বরং কম কথায় বড় অর্থ, ভালো উদ্দেশ্য এবং ব্যাপক কল্যাণ চাওয়াই এখানে গুরুত্ব পেয়েছে। দোয়ার ভাষা সহজ হলেও অর্থ যেন গভীর ও কল্যাণময় হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জামে দোয়ায় দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ একসাথে চাওয়া যায়।
- দোয়া সংক্ষিপ্ত হলেও অর্থে পূর্ণ হওয়া ভালো।
- নবী (صلى الله عليه وسلم) পূর্ণ অর্থবোধক দোয়া পছন্দ করতেন।
- দোয়ার শব্দের চেয়ে অর্থ ও উদ্দেশ্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
