৮/২৬. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৫৩১ - জুমআর দিনে বেশি দরূদ পাঠ
ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) সম্পর্কে
জুমআর দিনে বেশি দরূদ পাঠের ফজিলত
সুনানে আবূ দাউদ : ১৫৩১
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৫৩১
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ الْجُعْفِيُّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ بْنِ جَابِرٍ، عَنْ أَبِي الأَشْعَثِ الصَّنْعَانِيِّ، عَنْ أَوْسِ بْنِ أَوْسٍ، قَالَ قَالَ النَّبِيُّ ﷺ " إِنَّ مِنْ أَفْضَلِ أَيَّامِكُمْ يَوْمَ الْجُمُعَةِ فَأَكْثِرُوا عَلَىَّ مِنَ الصَّلاَةِ فِيهِ فَإِنَّ صَلاَتَكُمْ مَعْرُوضَةٌ عَلَىَّ " . قَالَ فَقَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ وَكَيْفَ تُعْرَضُ صَلاَتُنَا عَلَيْكَ وَقَدْ أَرِمْتَ قَالَ يَقُولُونَ بَلِيتَ . قَالَ " إِنَّ اللَّهَ تَبَارَكَ وَتَعَالَى حَرَّمَ عَلَى الأَرْضِ أَجْسَادَ الأَنْبِيَاءِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِمْ».
আওস ইবনু আওস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেন, তোমাদের সর্বোত্তম দিনগুলোর মধ্যে জুমু‘আহর দিনটি উৎকৃষ্ট। কাজেই এ দিনে তোমরা আমার প্রতি বেশী পরিমাণে দরূদ পাঠ করবে। কেননা তোমাদের দরূদ আমার কাছে পেশ করা হয়। বর্ণনাকারী বলেন, তাঁরা বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের দরূদ আপনার কাছে কিভাবে উপস্থিত করা হবে অথচ আপনি তো মাটির সাথে মিশে যাবেন? বর্ণনাকারী বলেন, লোকেরা বললো, আপনি তো নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবেন। তিনি (ﷺ) বললেনঃ নিশ্চয় আল্লাহ নবীদের দেহকে মাটির জন্য হারাম করে দিয়েছেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৫৩১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) জুমআর দিনের বিশেষ মর্যাদা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, তোমাদের দিনগুলোর মধ্যে জুমআর দিন উৎকৃষ্ট। তাই এই দিনে তাঁর উপর বেশি পরিমাণে দরূদ পাঠ করতে বলা হয়েছে। কারণ, উম্মতের দরূদ তাঁর কাছে পেশ করা হয়। সাহাবীরা জানতে চান, মৃত্যুর পর দরূদ কীভাবে পেশ হবে? নবী (صلى الله عليه وسلم) জানান, আল্লাহ নবীদের দেহকে মাটির জন্য হারাম করে দিয়েছেন। হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, জুমআর দিনে দরূদ পাঠের গুরুত্ব বেশি। এটি নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর প্রতি ভালোবাসা ও সম্মান প্রকাশের আমল। তাই শুক্রবারে দরূদকে বিশেষভাবে মনে রাখা উচিত, তবে হাদিসের বক্তব্যের বাইরে অতিরিক্ত দাবি করা ঠিক নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জুমআর দিন মুসলিমদের জন্য মর্যাদাপূর্ণ দিন।
- এই দিনে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর উপর বেশি দরূদ পাঠ করার নির্দেশ এসেছে।
- উম্মতের দরূদ নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে পেশ করা হয়—হাদিসে এ কথা আছে।
