১১/২০. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৭৬৫ - কুরবানির দিনের মর্যাদা
উট কিভাবে যবেহ করতে হয়
কুরবানির দিনের মর্যাদা ও গোশত নেওয়া
সুনানে আবূ দাউদ : ১৭৬৫
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৭৬৫
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى الرَّازِيُّ، أَخْبَرَنَا عِيسَى، ح وَحَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، أَخْبَرَنَا عِيسَى، - وَهَذَا لَفْظُ إِبْرَاهِيمَ - عَنْ ثَوْرٍ، عَنْ رَاشِدِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَامِرِ بْنِ لُحَىٍّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قُرْطٍ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ " إِنَّ أَعْظَمَ الأَيَّامِ عِنْدَ اللَّهِ تَبَارَكَ وَتَعَالَى يَوْمُ النَّحْرِ ثُمَّ يَوْمُ الْقَرِّ " . قَالَ عِيسَى قَالَ ثَوْرٌ وَهُوَ الْيَوْمُ الثَّانِي . قَالَ وَقُرِّبَ لِرَسُولِ اللَّهِ ﷺ بَدَنَاتٌ خَمْسٌ أَوْ سِتٌّ فَطَفِقْنَ يَزْدَلِفْنَ إِلَيْهِ بِأَيَّتِهِنَّ يَبْدَأُ فَلَمَّا وَجَبَتْ جُنُوبُهَا - قَالَ فَتَكَلَّمَ بِكَلِمَةٍ خَفِيَّةٍ لَمْ أَفْهَمْهَا فَقُلْتُ مَا قَالَ - قَالَ «مَنْ شَاءَ اقْتَطَعَ».
‘আবদুল্লাহ ইবনু কুরত (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেনঃ প্রাচুর্য্যময় মহান আল্লাহর কাছে সবচেয়ে মর্যাদাসম্পন্ন দিন হলো কুরবানীর দিন, তারপর মেহমানদারীর দিন, সেটি হলো দ্বিতীয় দিন। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর পাঁচটি বা ছয়টি কুরবানীর পশু রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে আনা হলো। যে পশুকে তাঁর কাছে আনা হলো তিনি প্রথমে সেটিই যবেহ’ করলেন। এভাবে যবেহ শেষ হলো। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি হালকা একটা কথা বলেছেন, যা আমি বুঝতে পারিনি। পরে আমি আমার (কাছের ব্যক্তিকে) জিজ্ঞেস করলে সে বললো, তিনি বলেছেনঃ ‘কারো ইচ্ছে হলে এখান থেকে গোশত কেটে নিতে পারবে’।
[১৭৬৫]
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৭৬৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে কুরবানির দিনের মর্যাদা স্পষ্টভাবে এসেছে। নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, মহান আল্লাহর কাছে মর্যাদাসম্পন্ন দিনের মধ্যে কুরবানির দিন বিশেষ মর্যাদার। এরপর মেহমানদারির দিন বা দ্বিতীয় দিনের কথাও বলা হয়েছে। বর্ণনায় আরও আছে, কয়েকটি কুরবানির পশু রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে আনা হয়। যে পশু তাঁর কাছে আগে আসে, তিনি সেটি দিয়েই শুরু করেন। যবেহ শেষ হওয়ার পর তিনি এমন কথা বলেন, যার অর্থ হিসেবে বর্ণনাকারী জানতে পারেন—যার ইচ্ছা সে এখান থেকে গোশত নিতে পারে। এই হাদিসে কুরবানির দিন, কুরবানির পশু যবেহ এবং গোশত বণ্টনের সহজ দিক একসঙ্গে এসেছে। তবে ব্যাখ্যায় হাদিসের সীমার বাইরে অতিরিক্ত ফজিলত দাবি করা ঠিক নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুরবানির দিন আল্লাহর কাছে মর্যাদাসম্পন্ন দিন হিসেবে উল্লেখ হয়েছে।
- যবেহের কাজে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর সরাসরি অংশগ্রহণ দেখা যায়।
- যবেহ শেষে গোশত নেওয়ার অনুমতির কথা বর্ণিত হয়েছে।
- কুরবানির আমলে সহজতা ও শৃঙ্খলা দুটিই আছে।
