১১/৫২. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৮৮৯ - হাজরে আসওয়াদ, তাকবীর ও রমল
তাওয়াফকালে দোয়া পাঠ করা
তাওয়াফে হাজরে আসওয়াদ, তাকবীর ও তিন চক্করে রমল
সুনানে আবূ দাউদ : ১৮৮৯
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৮৮৯
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ الأَنْبَارِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سُلَيْمٍ، عَنِ ابْنِ خُثَيْمٍ، عَنْ أَبِي الطُّفَيْلِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ اضْطَبَعَ فَاسْتَلَمَ وَكَبَّرَ ثُمَّ رَمَلَ ثَلاَثَةَ أَطْوَافٍ وَكَانُوا إِذَا بَلَغُوا الرُّكْنَ الْيَمَانِيَ وَتَغَيَّبُوا مِنْ قُرَيْشٍ مَشَوْا ثُمَّ يَطْلُعُونَ عَلَيْهِمْ يَرْمُلُونَ تَقُولُ قُرَيْشٌ كَأَنَّهُمُ الْغِزْلاَنُ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ فَكَانَتْ سُنَّةً.
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) স্বীয় বগলের নীচ দিয়ে চাদর নিয়ে কাঁধের উপর ছেড়ে দিয়েছেন, হাজরে আসওয়াদে চুমু খেয়েছেন, তাকবির বলেছেন অতঃপর তিন চক্করে রমল করেছেন। তাঁরা যখন রুকনে ইয়ামানীর কাছে পৌঁছতেন এবং কুরাইশদের চোখের আড়াল হতেন, তখন স্বাভাবিক গতিতে হাঁটতেন। আর যখন তাদের সম্মুখে এসে যেতেন তখন আবার রমল করতেন। তাঁদেরকে দেখে কুরাইশরা বলতো, ওরা যেন হরিণ। বলেন, ফলে রমল করা সুন্নাতে পরিণত হয়।
[১৮৮৯]
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৮৮৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে তাওয়াফের কয়েকটি কাজ একসঙ্গে এসেছে। নবী (صلى الله عليه وسلم) চাদর বগলের নিচ দিয়ে কাঁধে রাখেন, হাজরে আসওয়াদে চুমু খান, তাকবীর বলেন এবং প্রথম তিন চক্করে রমল করেন। বর্ণনায় আরও আছে, তাঁরা যখন রুকনে ইয়ামানীর কাছে গিয়ে কুরাইশদের চোখের আড়াল হতেন, তখন স্বাভাবিকভাবে হাঁটতেন; আর কুরাইশদের সামনে এলে রমল করতেন। কুরাইশরা তাঁদের দেখে বলত, তারা যেন হরিণ। শেষে ইবনু আব্বাস (রা.) বলেন, ফলে রমল সুন্নাতে পরিণত হয়। এই হাদিসে তাওয়াফে ইযতিবা, হাজরে আসওয়াদ, তাকবীর এবং রমল—সব বিষয় সংক্ষিপ্ত কিন্তু স্পষ্টভাবে এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- তাওয়াফে হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ বা চুমুর সঙ্গে তাকবীর বলার বর্ণনা এসেছে।
- প্রথম তিন চক্করে রমল করার বিষয়টি এখানে স্পষ্ট।
- কুরাইশদের সামনে মুসলিমদের দৃঢ়তা দেখানোর ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে।
- ইবনু আব্বাস (রা.) এই বর্ণনায় রমলকে সুন্নাত হওয়ার কথা বলেছেন।
