১১/১০০. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২০৪১ - নবীর প্রতি সালামের মর্যাদা
বিয়ের ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান
নবীর প্রতি সালাম পাঠানোর ফজিলত
সুনানে আবূ দাউদ : ২০৪১
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২০৪১
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَوْفٍ، حَدَّثَنَا الْمُقْرِئُ، حَدَّثَنَا حَيْوَةُ، عَنْ أَبِي صَخْرٍ، حُمَيْدِ بْنِ زِيَادٍ عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قُسَيْطٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ «مَا مِنْ أَحَدٍ يُسَلِّمُ عَلَىَّ إِلاَّ رَدَّ اللَّهُ عَلَىَّ رُوحِي حَتَّى أَرُدَّ عَلَيْهِ السَّلاَمَ " .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কেউ আমার উপর সালাম পেশ করলে আল্লাহ আমার ‘রূহ’ ফিরিয়ে দেন এবং আমি তার সালামের জবাব দেই।
[২০৪১]
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২০৪১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم উম্মতকে তাঁর প্রতি সালাম পাঠানোর একটি বিশেষ মর্যাদা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, কেউ তাঁর উপর সালাম পেশ করলে আল্লাহ তাঁর রুহ ফিরিয়ে দেন, যাতে তিনি সেই সালামের জবাব দেন। এখানে মূল শিক্ষা হলো, নবী صلى الله عليه وسلم-এর প্রতি সালাম পাঠানো একটি সম্মানজনক আমল। এটি শুধু মুখের কথা নয়; বরং ভালোবাসা, আদব এবং নবীর সঙ্গে উম্মতের সম্পর্কের প্রকাশ। হাদিসের ভাষা আমাদের শেখায়, সালাম একটি জীবন্ত দোআ ও সম্মানের বাক্য। তাই দরুদ ও সালাম পাঠ করা মুসলিম জীবনের সুন্দর আমলগুলোর একটি। তবে এই হাদিস থেকে এমন কোনো বাড়তি পদ্ধতি বা নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ করা উচিত নয়, যা হাদিসে বলা হয়নি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী صلى الله عليه وسلم-এর প্রতি সালাম পাঠানো সম্মান ও ভালোবাসার প্রকাশ।
- সালাম একটি দোআ, তাই তা আদবের সঙ্গে পাঠ করা উচিত।
- হাদিসে বর্ণিত বিষয়ের বাইরে অতিরিক্ত নিয়ম বানানো ঠিক নয়।
