১২/৬. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২০৫৩ - দাসী মুক্ত করে বিয়ের পুরস্কার
রক্তের কারণে যাদেরকে বিয়ে করা হারাম তারা দুধপানের কারণেও হারাম
দাসী মুক্ত করে বিয়ে করলে দুটি পুরস্কার
সুনানে আবূ দাউদ : ২০৫৩
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২০৫৩
دَّثَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، حَدَّثَنَا عَبْثَرٌ، عَنْ مُطَرِّفٍ، عَنْ عَامِرٍ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " مَنْ أَعْتَقَ جَارِيَتَهُ وَتَزَوَّجَهَا كَانَ لَهُ أَجْرَانِ ".
আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার দাসীকে দাসত্বমুক্ত করার পর বিয়ে করে সে দু’টি পুরস্কারের অধিকারী।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২০৫৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم বলেছেন, যে ব্যক্তি তার দাসীকে দাসত্বমুক্ত করার পর তাকে বিয়ে করে, সে দুটি পুরস্কারের অধিকারী। হাদিসের ভাষা সংক্ষিপ্ত হলেও এর শিক্ষা গভীর। এখানে একদিকে দাসত্বমুক্ত করার কল্যাণ আছে, অন্যদিকে মুক্ত নারীর মর্যাদা দিয়ে তাকে বিয়ে করার কথা আছে। এতে করুণা, দায়িত্ব এবং সম্মানের শিক্ষা দেখা যায়। হাদিসটি এমন এক আমলকে মর্যাদা দিয়েছে, যেখানে মানুষকে স্বাধীনতা দেওয়া এবং বৈধ সম্পর্কের মাধ্যমে সম্মান করা—দুইটি দিক একসঙ্গে পাওয়া যায়। তবে হাদিসে যে নির্দিষ্ট আমল বলা হয়েছে, ব্যাখ্যাও সেই সীমার মধ্যেই থাকা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দাসত্বমুক্ত করা একটি বড় কল্যাণের কাজ।
- মুক্ত করার পর বিয়ে করলে সম্মান ও দায়িত্বের দিক যুক্ত হয়।
- ইসলাম বৈধ সম্পর্ক ও মানবিক মর্যাদাকে গুরুত্ব দেয়।
- হাদিসে বর্ণিত আমলের পুরস্কারকে অতিরঞ্জন ছাড়া বুঝতে হবে।
