১২/১১. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২০৬৩ - এক-দুই চোষায় দুধ সম্পর্ক হয় না
দুধপান ছাড়ার সময় প্রতিদান দেয়া
এক-দুই চোষায় দুধ সম্পর্কের বিধান
সুনানে আবূ দাউদ : ২০৬৩
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২০৬৩
دَّثَنَا مُسَدَّدُ بْنُ مُسَرْهَدٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " لاَ تُحَرِّمُ الْمَصَّةُ وَلاَ الْمَصَّتَانِ " .
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, (ﷺ) বলেছেনঃ একবার অথবা দুইবার চোষার কারণে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন হারাম হয় না।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২০৬৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, একবার অথবা দুইবার চোষার কারণে বৈবাহিক সম্পর্ক হারাম হয় না। অর্থাৎ দুধ সম্পর্কের বিধান বুঝতে শুধু দুধ মুখে নেওয়া বা অল্প চোষা যথেষ্ট নয়। হাদিসটি দুধ পানের কারণে বিবাহ হারাম হওয়ার বিষয়ে একটি সীমা বুঝিয়ে দেয়। এর সঙ্গে আগের বর্ণনাগুলো মিলিয়ে দেখা যায়, রাদাআত বা দুধ সম্পর্ক একটি নির্দিষ্ট শরয়ি বিষয়, যা আন্দাজে বলা যায় না। পারিবারিক সিদ্ধান্ত, বিবাহের অনুমতি এবং মাহরাম সম্পর্কের ক্ষেত্রে এমন হাদিস সতর্কতা শেখায়। হাদিসের ভাষা সংক্ষিপ্ত, কিন্তু বার্তাটি পরিষ্কার—অল্প বা এক-দুই চোষাকে বৈবাহিক নিষেধের কারণ বলা হয়নি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- একবার বা দুইবার চোষাকে বিবাহ হারামের কারণ বলা হয়নি।
- দুধ সম্পর্কের বিধান নির্দিষ্ট দলিলের ভিত্তিতে বুঝতে হয়।
- বিবাহের আগে সম্পর্কের শরয়ি দিক যাচাই করা দরকার।
- পারিবারিক হালাল-হারামের বিষয়ে অতিরঞ্জন এড়ানো উচিত।
