১২/৪৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২১৫০ - নারীর গোপন বর্ণনা থেকে সতর্কতা
যে বিষয়ে দৃষ্টি সংযত রাখতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে
নারীর গোপন বর্ণনা স্বামীর কাছে না দেওয়ার হাদিস
সুনানে আবূ দাউদ : ২১৫০
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২১৫০
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «لاَ تُبَاشِرُ الْمَرْأَةُ الْمَرْأَةَ لِتَنْعَتَهَا لِزَوْجِهَا كَأَنَّمَا يَنْظُرُ إِلَيْهَا».
ইবনে মাসঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেনঃ কোন মহিলা যেন অপর মহিলার দেহ স্পর্শ করে এমনভাবে তার বর্ণনা নিজের স্বামীর কাছে না দেয়, যেন সে তাকে চাক্ষুষ দেখছে।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২১৫০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ব্যক্তিগত গোপনতা ও শালীনতার গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা এসেছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, কোনো মহিলা যেন অপর মহিলার দেহ স্পর্শ করে এমনভাবে নিজের স্বামীর কাছে তার বর্ণনা না দেয়, যেন স্বামী তাকে চোখে দেখছে। এখানে মূল বিষয় হলো, অন্য নারীর শরীরের বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়া থেকে বিরত থাকা। এতে গোপনতা নষ্ট হয় এবং অপ্রয়োজনীয় কল্পনা বা আকর্ষণের দরজা খুলে যেতে পারে। হাদিসটি নারীর মর্যাদা, পর্দা, শালীনতা এবং পারিবারিক নিরাপত্তার সাথে জড়িত। অন্যের দেহ, সৌন্দর্য বা ব্যক্তিগত অবস্থা নিয়ে এমন কথা বলা উচিত নয়, যা শুনে অন্যের মনে স্পষ্ট ছবি তৈরি হয়। সহজ ভাষায়, অন্যের গোপন বিষয়কে কথার মাধ্যমে প্রকাশ করা থেকে সাবধান থাকতে বলা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অন্য নারীর দেহের বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
- গোপনতা ও শালীনতা রক্ষা করা ইসলামের সুন্দর শিক্ষা।
- কথার মাধ্যমেও অপ্রয়োজনীয় আকর্ষণ তৈরি হতে পারে।
- অন্যের মর্যাদা রক্ষা করা দাম্পত্য কথাবার্তার অংশ।
