১২/৪৭. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২১৬৭ - ঋতুমতী স্ত্রীর সাথে ঘনিষ্ঠতা
ঋতুবতী স্ত্রীর সাথে সঙ্গম ও একত্রে বসবাস
ঋতুমতী স্ত্রীর সাথে ঘনিষ্ঠতার সুন্নাহ
সুনানে আবূ দাউদ : ২১৬৭
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২১৬৭
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ، وَمُسَدَّدٌ، قَالاَ حَدَّثَنَا حَفْصٌ، عَنِ الشَّيْبَانِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَدَّادٍ، عَنْ خَالَتِهِ، مَيْمُونَةَ بِنْتِ الْحَارِثِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ كَانَ إِذَا أَرَادَ أَنْ يُبَاشِرَ امْرَأَةً مِنْ نِسَائِهِ وَهِيَ حَائِضٌ أَمَرَهَا أَنْ تَتَّزِرَ ثُمَّ يُبَاشِرُهَا .
মায়মূনাহ বিনতুল হারিস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর কোন ঋতুবতী স্ত্রীর সাথে একত্রে থাকতে চাইলে, তাকে ইযার শক্তভাবে বেঁধে পরিধান করার নির্দেশ দিতেন, অতঃপর তার সাথে ঘুমাতেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২১৬৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে মাইমূনা বিনতুল হারিস রাঃ বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم যখন কোনো ঋতুমতী স্ত্রীর সাথে একত্রে থাকতে চাইতেন, তখন তাকে ইযার ভালোভাবে বেঁধে পরতে বলতেন, এরপর তার সাথে ঘুমাতেন। এখানে মূল শিক্ষা হলো, হায়েয অবস্থায় স্ত্রীকে পুরোপুরি দূরে সরিয়ে রাখা নয়; বরং সহবাস থেকে বেঁচে থেকে ঘনিষ্ঠতা ও ভালোবাসা বজায় রাখা। হাদিসটি হায়েযের আদবকে খুব সহজভাবে তুলে ধরে। একদিকে শরিয়তের সীমা আছে—সহবাস হবে না; অন্যদিকে স্বামী-স্ত্রীর মমতা ও পাশে থাকা থাকবে। তাই এই বর্ণনা মুসলিম দাম্পত্যে ভারসাম্য শেখায়: নিষিদ্ধ কাজ থেকে বাঁচা এবং বৈধ ঘনিষ্ঠতা বজায় রাখা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হায়েয অবস্থায় সহবাস বর্জন করতে হবে।
- ঋতুমতী স্ত্রীর সাথে বৈধ ঘনিষ্ঠতা রাখা যায়।
- ইযার পরিধান সতর্কতা ও শালীনতার একটি আদব।
- দাম্পত্যে বিধান মানার পাশাপাশি ভালোবাসাও বজায় রাখা উচিত।
