১৩/৩. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২১৭৮ - সবচেয়ে অপছন্দনীয় হালাল তালাক
তালাক ঘৃণিত
আল্লাহর কাছে অপছন্দনীয় হালাল: তালাক
সুনানে আবূ দাউদ : ২১৭৮
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২১৭৮
حَدَّثَنَا كَثِيرُ بْنُ عُبَيْدٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَالِدٍ، عَنْ مُعَرِّفِ بْنِ وَاصِلٍ، عَنْ مُحَارِبِ بْنِ دِثَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ " أَبْغَضُ الْحَلاَلِ إِلَى اللَّهِ تَعَالَى الطَّلاَقُ " .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নাবী (ﷺ) বলেছেনঃ মহান আল্লাহর নিকট সবচেয়ে ঘৃণিত হালাল হচ্ছে তালাক।
[২১৭৮] ইবনু মাজাহ, হাকিম। হাদীসের সানাদ মুযতারিব।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২১৭৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم বলেছেন, মহান আল্লাহর নিকট সবচেয়ে ঘৃণিত হালাল হচ্ছে তালাক। অর্থাৎ তালাক শরিয়তে বৈধ হলেও তা এমন বিষয়, যা আল্লাহর কাছে অপছন্দনীয়। এই ভাষা স্বামী-স্ত্রীকে সতর্ক করে—দাম্পত্য সম্পর্ককে খেলাচ্ছলে ভাঙা যায় না। পরিবারে সমস্যা, রাগ বা অস্থিরতা আসতে পারে; কিন্তু তালাকের সিদ্ধান্ত বড় সিদ্ধান্ত। হাদিসের শিক্ষা হলো, বৈধ হওয়া মানেই তা পছন্দনীয় নয়। একজন মুসলিমের উচিত সম্পর্ক রক্ষার চেষ্টা করা, অন্যায় প্ররোচনা থেকে দূরে থাকা এবং প্রয়োজনে জ্ঞানী ও ন্যায়পরায়ণ উপায়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া। এখানে তালাকের দরজা বন্ধ করা হয়নি; বরং তার গুরুতর দিকটি মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- তালাক বৈধ হলেও তা আল্লাহর কাছে অপছন্দনীয়।
- দাম্পত্য সম্পর্ক ভাঙার আগে গভীরভাবে ভাবা উচিত।
- রাগ বা আবেগে তালাকের সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়।
- বৈধ কাজের মধ্যেও আল্লাহর পছন্দ-অপছন্দ বিবেচনা করতে হয়।
