১৩/১৭. অধ্যায়ঃ

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২২১৯ - আওস রাঃ ও যিহারের আয়াত

যিহার

আওস ইবনু সামিতের ঘটনা ও যিহারের কাফফারা

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২২১৯

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، أَنَّ جَمِيلَةَ، كَانَتْ تَحْتَ أَوْسِ بْنِ الصَّامِتِ وَكَانَ رَجُلاً بِهِ لَمَمٌ فَكَانَ إِذَا اشْتَدَّ لَمَمُهُ ظَاهَرَ مِنَ امْرَأَتِهِ فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى فِيهِ كَفَّارَةَ الظِّهَارِ .

হিশাম ইবনু উরওয়াহ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ

জামীলাহ ছিলেন আওস ইবনুস সামিতের স্ত্রী। আর আওস (রাঃ) সঙ্গমে অধিক সক্ষম ব্যক্তি ছিলেন। এক সময় তাঁর এ আসক্তি বৃদ্ধি পেলে তিনি তাঁর স্ত্রীর সাথে ‘যিহার’ করেন। এই প্রসঙ্গে মহান শক্তিশালী আল্লাহ যিহারের কাফফারাহ সম্পর্কিত আয়াত অবতীর্ণ করলেন।

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২২১৯-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে জামিলা, আওস ইবনু সামিত রাঃ-এর স্ত্রী হিসেবে উল্লেখিত হয়েছেন। বর্ণনায় এসেছে, আওস রাঃ সঙ্গমে অধিক সক্ষম ব্যক্তি ছিলেন। যখন তাঁর আসক্তি বেড়ে যেত, তখন তিনি স্ত্রীর সাথে যিহার করতেন। এই প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ যিহারের কাফফারা সম্পর্কিত আয়াত নাজিল করেন। এখানে বিস্তারিত কাফফারার ধাপগুলো বলা হয়নি, তবে আগের বর্ণনাগুলোর সাথে মিলিয়ে দেখা যায়, যিহারকে হালকা কথা হিসেবে নেওয়া হয়নি। বরং এর জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে কাফফারা নির্ধারিত হয়েছে। এই হাদিসে দাম্পত্য সম্পর্ক, নিয়ন্ত্রণ, কথার দায়িত্ব এবং যিহারের গুরুতর দিক উঠে আসে। মানুষের দুর্বলতা থাকতে পারে, কিন্তু সেই দুর্বলতার কারণে এমন কথা বলা উচিত নয়, যার ফলে শরয়ি দায়িত্ব তৈরি হয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • যিহার গুরুতর দাম্পত্য কথা; এটিকে হালকা করে দেখা যায় না।
  • আওস রাঃ-এর ঘটনার প্রসঙ্গে কাফফারার আয়াত নাজিল হয়।
  • দাম্পত্য সম্পর্কে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।
  • শরয়ি দায়িত্ব তৈরি করে এমন শব্দ এড়িয়ে চলা উচিত।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন