১৩/১৭. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২২২২ - যিহারের পর কাফফারার নির্দেশ
যিহার
যিহারের পর কাফফারা আদায়ের স্পষ্ট নির্দেশ
সুনানে আবূ দাউদ : ২২২২
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২২২২
حَدَّثَنَا الزَّعْفَرَانِيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الْحَكَمِ بْنِ أَبَانَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، أَنَّ رَجُلاً، ظَاهَرَ مِنَ امْرَأَتِهِ فَرَأَى بَرِيقَ سَاقِهَا فِي الْقَمَرِ فَوَقَعَ عَلَيْهَا فَأَتَى النَّبِيَّ ﷺ فَأَمَرَهُ أَنْ يُكَفِّرَ .
‘ইকরিমাহ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে যিহার করলো। সে চাঁদের আলোয় স্ত্রীর উরুর উজ্জ্বলতা দেখতে পেয়ে তার সাথে সঙ্গম করে। অতঃপর সে নবী (ﷺ)-এর নিকট এলে তিনি তাকে কাফ্ফারা দেয়ার নির্দেশ দেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২২২২-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় একজন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে যিহার করেন। পরে চাঁদের আলোয় স্ত্রীর পায়ের উজ্জ্বলতা দেখে তিনি আবেগে তার সঙ্গে সহবাস করেন। এরপর তিনি রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর কাছে আসেন। নবী صلى الله عليه وسلم তাকে কাফফারা আদায়ের নির্দেশ দেন। এখানে মূল শিক্ষা হলো, যিহার একটি গুরুতর দাম্পত্য বিষয় এবং এর কাফফারা রয়েছে। মানুষ দুর্বল হতে পারে, কিন্তু ভুলের পর শরয়ী দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া ঠিক নয়। হাদিসটি যিহারের বিধান ও কাফফারা সম্পর্কে সচেতন করে। একই সঙ্গে এটি দেখায় যে, নবী صلى الله عليه وسلم মানুষের বাস্তব অবস্থাকে শুনতেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিতেন। তাই যিহারের পর করণীয় জানতে এ হাদিস গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- যিহারের পর সহবাস হয়ে গেলে কাফফারা আদায় করতে হবে।
- দাম্পত্য বিষয়ে আবেগের কারণে শরয়ী নিয়ম ভোলা ঠিক নয়।
- ভুল হলে আলেম বা জ্ঞানীর কাছে সঠিক বিধান জানতে হবে।
- নবী صلى الله عليه وسلم সমস্যার কথা শুনে কাফফারার নির্দেশ দিয়েছেন।
