১৩/৪০. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২২৯৩ - বিতর্কিত বিষয়ে চুপ থাকার শিক্ষা
যিনি ফাতিমা (রাঃ)-এর হাদিসটি অস্বীকার করেন
বিতর্কিত কথা এড়ানোর শিক্ষা
সুনানে আবূ দাউদ : ২২৯৩
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২২৯৩
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، أَنَّهُ قِيلَ لِعَائِشَةَ أَلَمْ تَرَىْ إِلَى قَوْلِ فَاطِمَةَ قَالَتْ أَمَا إِنَّهُ لاَ خَيْرَ لَهَا فِي ذِكْرِ ذَلِكَ .
উরওয়াহ ইবনুয যুবাইর (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
‘আয়িশাহ (রাঃ) এর নিকট ফাত্বিমাহ্র বক্তব্যের ব্যাপারে মতামত জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আলোচনা করার মধ্যে তাঁর কোন কল্যাণ নেই।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২২৯৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে উরওয়া ইবনু যুবায়ের (রহঃ) বর্ণনা করেন, আয়িশা (রাঃ)-কে ফাতিমা বিনত কায়েস (রাঃ)-এর বক্তব্য সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল। তিনি বলেন, এ বিষয়ে আলোচনা করার মধ্যে তার কোনো কল্যাণ নেই। হাদিসটি খুব ছোট, কিন্তু ভাষাটি সতর্কতামূলক। এখানে আয়িশা (রাঃ) এমন একটি বিষয়ে কথা বাড়াতে চাননি, যা আগে থেকেই আলোচনার কারণ হয়েছিল। এই বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, সব বিষয় নিয়ে বিতর্ক বাড়ানো কল্যাণকর নাও হতে পারে। বিশেষ করে পারিবারিক বিধান, তালাকপ্রাপ্তা নারীর অবস্থান এবং বর্ণনার প্রয়োগ নিয়ে কথা বলার সময় সংযম দরকার। হাদিসটি অপ্রয়োজনীয় আলোচনা থেকে বেঁচে থাকার সুন্দর শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সব বিতর্কিত বিষয়ে কথা বাড়ানো কল্যাণকর নয়।
- বড়দের সতর্ক মন্তব্য থেকে আদব শেখা যায়।
- হাদিস আলোচনা করতে গিয়ে সংযম রাখা দরকার।
- যে কথায় ফিতনা বাড়তে পারে, তা এড়িয়ে চলা ভালো।
