১৪/৪. অধ্যায়ঃ

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৩১৯ - মাস ২৯ বা ৩০ দিনের হয়

মাস ঊনত্রিশ দিনেও হয়

হিজরি মাস ২৯ বা ৩০ দিনের হয়

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৩১৯

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الأَسْوَدِ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَمْرٍو، - يَعْنِي ابْنَ سَعِيدِ بْنِ الْعَاصِ - عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " إِنَّا أُمَّةٌ أُمِّيَّةٌ لاَ نَكْتُبُ وَلاَ نَحْسُبُ الشَّهْرُ هَكَذَا وَ هَكَذَا وَهَكَذَا» . وَخَنَسَ سُلَيْمَانُ أُصْبَعَهُ فِي الثَّالِثَةِ يَعْنِي تِسْعًا وَعِشْرِينَ وَثَلاَثِينَ .

ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমরা ‘উম্মী জাতি, লিখতে জানি না, হিসাব করতেও জানি না। তবে মাস এতো দিনে, এতো দিনে এবং এতো দিনে হয়। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, সুলায়মান তৃতীয় বারে আঙ্গুল গুটিয়ে নেন। অর্থাৎ মাস কখনো ঊনত্রিশ দিনে এবং কখনো ত্রিশ দিনে হয়।

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৩১৯-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে হিজরি মাসের দৈর্ঘ্য সম্পর্কে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর সহজ বর্ণনা এসেছে। তিনি বলেন, আমরা উম্মী জাতি; লিখি না, হিসাবও করি না। এরপর তিনি হাতে ইশারা করে বলেন, মাস এত দিনে, এত দিনে এবং এত দিনে হয়। বর্ণনায় এসেছে, তৃতীয়বারে আঙুল গুটিয়ে দেখানো হয়। এর অর্থ হলো, মাস কখনো ঊনত্রিশ দিনে হয়, আবার কখনো ত্রিশ দিনে হয়। এই হাদিসের মূল বিষয় হলো হিজরি মাস, চাঁদের মাস, ২৯ দিন ও ৩০ দিন। এখানে জটিল হিসাবের কথা নয়; বরং মাসের স্বাভাবিক দুই সম্ভাব্য দৈর্ঘ্যের কথা বলা হয়েছে। সাওম, রমাযান ও ঈদের মতো ইবাদতগুলোতে মাসের শুরু-শেষ বোঝার জন্য এই শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • হিজরি মাস কখনো ২৯ দিনে হতে পারে।
  • হিজরি মাস কখনো ৩০ দিনেও পূর্ণ হতে পারে।
  • নবী (صلى الله عليه وسلم) সহজ ভাষা ও ইশারায় বিষয়টি বুঝিয়েছেন।
  • মাসের হিসাব ইবাদতের সময় নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন