১৪/১৭. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৩৪৭ - বিলালের আজান ও সাহরী
সাহরীর সময়
বিলালের আজান শুনে সাহরী বন্ধ হবে কি?
সুনানে আবূ দাউদ : ২৩৪৭
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৩৪৭
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنِ التَّيْمِيِّ، ح وَحَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " لاَ يَمْنَعَنَّ أَحَدَكُمْ أَذَانُ بِلاَلٍ مِنْ سَحُورِهِ فَإِنَّهُ يُؤَذِّنُ - أَوْ قَالَ يُنَادِي - لِيَرْجِعَ قَائِمُكُمْ وَيَنْتَبِهَ نَائِمُكُمْ وَلَيْسَ الْفَجْرُ أَنْ يَقُولَ هَكَذَا ". قَالَ مُسَدَّدٌ وَجَمَعَ يَحْيَى كَفَّيْهِ حَتَّى يَقُولَ هَكَذَا وَمَدَّ يَحْيَى بِأُصْبَعَيْهِ السَّبَّابَتَيْنِ .
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ বিলালের আজান যেন তোমাদেরকে সাহরী খাওয়া থেকে বিরত না রাখে। কেননা সে আজান দেয় (বা আহ্বান জানায়) রাতের সালাত আদায়কারীদেরকে ফিরিয়ে আনার জন্য, আর যারা ঘুমিয়েছিলো তাদেরকে জাগ্রত করতে। আর এরূপ না হওয়া পর্যন্ত ফজর হয় না। ইয়াহিয়া (রহঃ) হাতের তালুকে একত্র করে বলেন, এরূপ, ইয়াহিয়া তর্জনীদ্বয়কে প্রসারিত করেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৩৪৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, বিলালের আজান যেন কাউকে সাহরী থেকে বিরত না রাখে। কারণ তিনি আজান দেন রাতের সালাত আদায়কারীদের ফিরিয়ে আনার জন্য এবং যারা ঘুমিয়েছিল তাদের জাগানোর জন্য। এরপর ফজর কেমন নয়, তা হাতের ইশারার মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে। হাদিসটি সাহরীর শেষ সময় এবং ফজরের প্রকৃত লক্ষণ বুঝতে সাহায্য করে। এখানে মূল শিক্ষা হলো, সব আজান একই উদ্দেশ্যে নয়; বিলালের আজান ছিল সতর্ক করার মতো। তাই রমজানে সাহরী, ফজরের সময় এবং আজানের পার্থক্য বুঝে আমল করা জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিলালের আজান সাহরী বন্ধের সরাসরি সংকেত ছিল না।
- আজানের উদ্দেশ্য বুঝে আমল করা গুরুত্বপূর্ণ।
- ফজরের সময় বোঝার জন্য নবী (صلى الله عليه وسلم) আলোর ধরন বোঝান।
- সাহরীর বিষয়ে তাড়াহুড়া না করে সঠিক নির্দেশনা জানা দরকার।
