১৪/২৫. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৩৬২ - রোজায় মিথ্যা ও অপকর্ম বর্জন
সওম পালনকারীর জন্য গীবত করা
রোজায় মিথ্যা বলা ও অপকর্ম ছাড়ার গুরুত্ব
সুনানে আবূ দাউদ : ২৩৬২
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৩৬২
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنِ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «مَنْ لَمْ يَدَعْ قَوْلَ الزُّورِ وَالْعَمَلَ بِهِ فَلَيْسَ لِلَّهِ حَاجَةٌ أَنْ يَدَعَ طَعَامَهُ وَشَرَابَهُ». قَالَ أَحْمَدُ فَهِمْتُ إِسْنَادَهُ مِنَ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ وَأَفْهَمَنِي الْحَدِيثَ رَجُلٌ إِلَى جَنْبِهِ أُرَاهُ ابْنَ أَخِيهِ.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কেউ যদি সাওম পালন করেও মিথ্যা বলা ও অপকর্ম ত্যাগ না করে, তাহলে তার পানাহার বর্জন করাতে আল্লাহর কোন প্রয়োজন নেই।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৩৬২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো রোজার নৈতিক শিক্ষা। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, কেউ যদি সাওম পালন করেও মিথ্যা বলা ও সেই অনুযায়ী কাজ করা না ছাড়ে, তাহলে তার পানাহার বর্জনের কোনো প্রয়োজন আল্লাহর নেই। এখানে সাওমের গভীর উদ্দেশ্য বোঝানো হয়েছে। রোজা শুধু খাবার ও পানীয় থেকে দূরে থাকার নাম নয়; বরং কথা, কাজ ও আচরণকেও ঠিক করার সময়। রোজাদার ব্যক্তি যদি মিথ্যা কথা বলে, অন্যায় কাজে থাকে, তাহলে তার সাওমের আসল শিক্ষা দুর্বল হয়ে যায়। তাই রোজার সময় সত্য কথা, ভালো আচরণ এবং অপকর্ম থেকে দূরে থাকা খুব গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাওমের সঙ্গে মিথ্যা কথা বর্জন করা জরুরি।
- রোজা মানুষের কথা ও কাজকে শুদ্ধ করার শিক্ষা দেয়।
- শুধু পানাহার ছেড়ে দিলেই সাওমের পূর্ণ শিক্ষা আসে না।
- অপকর্ম ছাড়ার চেষ্টা রোজাদারের জন্য বড় দায়িত্ব।
