১৪/২৬. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৩৬৪ - রোজা অবস্থায় মিসওয়াক
সওম পালনকারীর মিসওয়াক করা
রোজা অবস্থায় মিসওয়াক করার হাদিস
সুনানে আবূ দাউদ : ২৩৬৪
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৩৬৪
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، ح وَحَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَامِرِ بْنِ رَبِيعَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَسْتَاكُ وَهُوَ صَائِمٌ . زَادَ مُسَدَّدٌ مَا لاَ أَعُدُّ وَلاَ أُحْصِي .
‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘আমির ইবনু রাবীআ‘ (রহঃ) হতে তার পিতা হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -কে সাওম পালন অবস্থায় এতো বেশি মিসওয়াক করতে দেখেছি যে, তা সংখ্যায় নির্ণয় করা মুশকিল।
২৩৬৪ তিরমিযী, আহমাদ। ইমাম তিরমিযী বলেনঃ ‘আমির বিন রবী‘আহর হাদীসটি হাসান।’ হাদীসের সনদে রয়েছে ‘আসিম বিন ‘উবাইদুল্লাহ। হাফিয বলেনঃ তিনি যঈফ। ইমাম বায়হাক্বী বলেনঃ তিনি শক্তিশালী নন। তাকে ইবনু মাঈন, ইমাম বুখারী ও জাহলী প্রমুখ ইমামগণ যঈফ বলেছেন। এছাড়া সনদের ‘উবাইদুল্লাহ বিন ‘আমির সম্পর্কে হাফিয বলেনঃ মাক্ববূল। [২৩৬৪]
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৩৬৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো সাওম অবস্থায় মিসওয়াক। বর্ণনাকারী বলেছেন, তিনি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে সাওম পালন অবস্থায় এত বেশি মিসওয়াক করতে দেখেছেন যে, তা গুনে শেষ করা কঠিন। হাদিসের ভাষা থেকে বোঝা যায়, রোজার সময় মুখের পরিচ্ছন্নতার দিকে নবীজি গুরুত্ব দিতেন। এখানে কোনো জটিল বিধান না এনে শুধু বর্ণিত ঘটনাটিই সামনে রাখা হয়েছে। রোজা অবস্থায় মিসওয়াক ব্যবহার নিয়ে যারা জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস খুব প্রাসঙ্গিক। এটি দেখায়, সাওম পালন মানে পরিচ্ছন্নতা থেকে দূরে থাকা নয়; বরং ইবাদতের সঙ্গে পরিচ্ছন্নতাও রাখা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রোজা অবস্থায় নবীজি মিসওয়াক করেছেন।
- সাওমের সময় মুখের পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব বোঝা যায়।
- ইবাদতের সঙ্গে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা রাখা ভালো অভ্যাস।
- হাদিসে নবীজির কাজকে সরাসরি বর্ণনা করা হয়েছে।
