১৫/৯৬. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৬২৬ - বৈধ কাজে নেতার আনুগত্য
নেতার আনুগত্য প্রসঙ্গে
বৈধ কাজে নেতার আনুগত্যের সীমা
সুনানে আবূ দাউদ : ২৬২৬
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৬২৬
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنِي نَافِعٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ أَنَّهُ قَالَ " السَّمْعُ وَالطَّاعَةُ عَلَى الْمَرْءِ الْمُسْلِمِ فِيمَا أَحَبَّ وَكَرِهَ مَا لَمْ يُؤْمَرْ بِمَعْصِيَةٍ فَإِذَا أُمِرَ بِمَعْصِيَةٍ فَلاَ سَمْعَ وَلاَ طَاعَةَ».
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ নেতা পাপ কাজের নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত তার নির্দেশ শোনা এবং আনুগত্য করা মুসলিম ব্যক্তির অবশ্য কর্তব্য, চাই তার মনঃপূত হোক বা না হোক। আর নেতা যখন পাপকাজের নির্দেশ দিবে তখন তার নির্দেশ শোনা ও আনুগত্য করা যাবে না।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৬২৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে মুসলিম ব্যক্তির জন্য নেতার নির্দেশ শোনা ও মানার নিয়ম বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, নেতা পাপের নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তার নির্দেশ শোনা ও আনুগত্য করা মুসলিম ব্যক্তির কর্তব্য, তা তার পছন্দ হোক বা অপছন্দ হোক। কিন্তু যখন নেতা পাপ কাজের নির্দেশ দেয়, তখন সে নির্দেশ শোনা ও মানা যাবে না। এখানে ভারসাম্যপূর্ণ শিক্ষা আছে। একদিকে দল, সমাজ বা দায়িত্বের কাজে শৃঙ্খলা রাখা দরকার। অন্যদিকে আল্লাহর অবাধ্যতায় কাউকে মানা যায় না। তাই এই হাদিসের মূল কীওয়ার্ড হলো নেতার আনুগত্যের সীমা। এর সঙ্গে বৈধ আনুগত্য, পাপের নির্দেশ, সৎ কাজে আনুগত্য এবং মুসলিমের দায়িত্ব জড়িত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বৈধ কাজে নেতার নির্দেশ মানা মুসলিমের দায়িত্ব।
- পছন্দ না হলেও সৎ কাজে শৃঙ্খলা রক্ষা করা উচিত।
- পাপের নির্দেশ এলে তা মানা যাবে না।
- আনুগত্যের সীমা আল্লাহর বিধানের অধীন।
