১৫/১১২. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৬৫৬ - যুদ্ধের সময় উচ্চস্বরে কথা অপছন্দ
যুদ্ধের সময় নীরব থাকার নির্দেশ
যুদ্ধের সময় উচ্চস্বরে কথা অপছন্দ
সুনানে আবূ দাউদ : ২৬৫৬
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৬৫৬
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، ح وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ قَيْسِ بْنِ عُبَادٍ، قَالَ كَانَ أَصْحَابُ النَّبِيِّ ﷺ يَكْرَهُونَ الصَّوْتَ عِنْدَ الْقِتَالِ .
ক্বায়িস ইবনু ‘উবাদাহ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) এর সাহাবীগণ যুদ্ধের সময় উচ্চস্বরে কথাবার্তা বলা অপছন্দ করতেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৬৫৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সাহাবীদের যুদ্ধের আদবের একটি দিক বলা হয়েছে। তারা যুদ্ধের সময় উচ্চস্বরে কথাবার্তা বলা অপছন্দ করতেন। বর্ণনাটি সংক্ষিপ্ত হলেও এতে শৃঙ্খলা, স্থিরতা এবং প্রয়োজন ছাড়া শব্দ না করার শিক্ষা আছে। যুদ্ধক্ষেত্রে অতিরিক্ত আওয়াজ দলের মনোযোগ নষ্ট করতে পারে এবং পরিকল্পনাও ব্যাহত হতে পারে—এটি হাদিসের ভাষা থেকে সরাসরি বলা হয়নি, তবে অপছন্দ করার বিষয়টি শৃঙ্খলার দিকেই ইঙ্গিত করে। তাই এই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, গুরুতর অবস্থায় কথাবার্তায় সংযম রাখা। সাহাবীদের আচরণ থেকে বোঝা যায়, তারা শুধু বাহ্যিক শক্তি নয়, আচরণ ও নিয়ন্ত্রণকেও গুরুত্ব দিতেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- যুদ্ধের সময় অপ্রয়োজনীয় উচ্চস্বরে কথা অপছন্দনীয় ছিল।
- গুরুতর অবস্থায় কথাবার্তায় সংযম দরকার।
- সাহাবীরা শৃঙ্খলাকে গুরুত্ব দিতেন।
- আচরণও যুদ্ধের আদবের অংশ।
