১৫/১২০. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৬৬৬ - ঈমানদারদের হত্যায় পবিত্রতা
অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কর্তন নিষেধ
ঈমানদারদের হত্যা-পদ্ধতিতে সীমা ও পবিত্রতা
সুনানে আবূ দাউদ : ২৬৬৬
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৬৬৬
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى، وَزِيَادُ بْنُ أَيُّوبَ، قَالاَ حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، أَخْبَرَنَا مُغِيرَةُ، عَنْ شِبَاكٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ هُنَىِّ بْنِ نُوَيْرَةَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " أَعَفُّ النَّاسِ قِتْلَةً أَهْلُ الإِيمَانِ».
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে নিষ্কলুষ হত্যাকারী ঈমানদার বটে।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৬৬৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে সবচেয়ে পবিত্র বা নিষ্পাপ হত্যা ঈমানদারদের। হাদিসটি সংক্ষিপ্ত, কিন্তু এর শিক্ষা গভীর। এখানে যুদ্ধ বা শাস্তির মতো কঠিন বিষয়েও ঈমানদারদের আচরণ কেমন হওয়া উচিত, তার দিকে ইশারা আছে। ঈমানদার ব্যক্তি হিংসা, নিষ্ঠুরতা বা অকারণ বিকৃতি দিয়ে নয়; বরং সীমা ও নিয়ন্ত্রণের সাথে কাজ করে। এই হাদিসকে পাশের বর্ণনাগুলোর আলোকে পড়লে দেখা যায়, নারী-শিশু হত্যা, অঙ্গ বিকৃত করা এবং আগুনে শাস্তি দেওয়ার মতো কাজ থেকে নিষেধ এসেছে। তবে এই ব্যাখ্যা হাদিসের নিজস্ব বাক্য ও কাছাকাছি বর্ণনার সীমায় রাখা হয়েছে। মূল শিক্ষা হলো, কঠিন অবস্থাতেও ঈমান মানুষের আচরণকে সংযত করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঈমানদারের কাজ সীমা ও সংযমের সাথে হওয়া উচিত।
- কঠিন অবস্থাতেও অকারণ নিষ্ঠুরতা থেকে বাঁচতে হয়।
- হত্যার মতো বিষয়েও ইসলামে নিয়ন্ত্রণ ও শিষ্টতা আছে।
- ঈমান মানুষের আচরণকে পরিচ্ছন্ন করতে শেখায়।
