১৫/১৩৭. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৭০১ - গনীমতের খাদ্য ও খুমুসের বিধান
শত্রু দেশের খাদ্য হালাল হওয়া সম্পর্কে
গনীমতের খাদ্য ও খুমুসের সহজ শিক্ষা
সুনানে আবূ দাউদ : ২৭০১
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৭০১
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ حَمْزَةَ الزُّبَيْرِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا أَنَسُ بْنُ عِيَاضٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ جَيْشًا، غَنِمُوا فِي زَمَانِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم طَعَامًا وَعَسَلاً فَلَمْ يُؤْخَذْ مِنْهُمُ الْخُمُسُ .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একদল সৈনিক রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর যুগে গনীমাত হিসাবে কিছু খাদ্যশস্য ও মধু পায়। কিন্তু তার এক –পঞ্চমাংশ নেয়া হয়নি।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৭০১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবনু উমর (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর যুগে একদল সৈনিক গনীমত হিসেবে খাদ্যশস্য ও মধু পেয়েছিল। কিন্তু সেখান থেকে এক-পঞ্চমাংশ বা খুমুস নেওয়া হয়নি। এখানে মূল আলোচনা হলো গনীমতের খাদ্যদ্রব্য এবং যুদ্ধের সময় প্রয়োজনীয় খাবারের ব্যবহার। হাদিসটি গনীমতের সাধারণ মাল ও খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে একটি বাস্তব পার্থক্যের দিক দেখায়। খাদ্যশস্য ও মধুর মতো জিনিস সেনাদের তাৎক্ষণিক প্রয়োজনের সাথে যুক্ত হতে পারে। তাই এই বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, গনীমতের মাল বণ্টনের ক্ষেত্রে সব ধরনের সম্পদের আচরণ এক রকম ছিল না; বিশেষ করে খাবারের বিষয়ে আলাদা ব্যবহার দেখা গেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- গনীমতের মাল নিয়ে শরিয়তের নির্দিষ্ট নিয়ম আছে।
- খাদ্যদ্রব্যের ক্ষেত্রে যুদ্ধের প্রয়োজনকে বিবেচনা করা হয়েছে।
- সাহাবীরা রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর যুগের ঘটনা সতর্কতার সাথে বর্ণনা করেছেন।
