১৫/১৬২. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৭৫৬ - বিশ্বাসঘাতকের কিয়ামতের পতাকা
ওয়াদা পূরণ করা
বিশ্বাসঘাতকতার ভয়াবহ পরিণতি
সুনানে আবূ দাউদ : ২৭৫৬
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৭৫৬
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ " إِنَّ الْغَادِرَ يُنْصَبُ لَهُ لِوَاءٌ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَيُقَالُ هَذِهِ غَدْرَةُ فُلاَنِ بْنِ فُلاَنٍ» .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ কেয়ামাতের দিন বিশ্বাসঘাতকের জন্য একটি পতাকা স্থাপন করা হবে। বলা হবে, এটা অমুকের পুত্র অমুকের বিশ্বাসঘাতকতার নিদর্শন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৭৫৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো বিশ্বাসঘাতকতা বা গাদর। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, কেয়ামতের দিন বিশ্বাসঘাতকের জন্য একটি পতাকা স্থাপন করা হবে এবং বলা হবে, এটি অমুকের পুত্র অমুকের বিশ্বাসঘাতকতার নিদর্শন। হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত হলেও তার শিক্ষা গভীর। দুনিয়ায় কেউ চুক্তি, দায়িত্ব বা অঙ্গীকার ভঙ্গ করলে তা মানুষের চোখে কখনও গোপন থাকতে পারে। কিন্তু কেয়ামতের দিনে সেই বিশ্বাসঘাতকতা প্রকাশিত হবে বলে বর্ণনায় এসেছে। এখানে পতাকা অপমান ও প্রকাশের একটি চিহ্ন হিসেবে এসেছে। তাই এই হাদিস চুক্তি রক্ষা, আমানতদারি এবং কথা রাখার গুরুত্ব মনে করিয়ে দেয়। তবে হাদিসে যে ভাষা এসেছে, ব্যাখ্যাও তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিশ্বাসঘাতকতা কেয়ামতের দিনে প্রকাশিত হবে বলে বর্ণনায় এসেছে।
- চুক্তি ও অঙ্গীকার রক্ষার গুরুত্ব এই হাদিসে স্পষ্ট।
- দুনিয়ার লুকানো অন্যায় আখিরাতে প্রকাশ পেতে পারে।
- মুমিনের আচরণে আমানতদারি ও ওয়াদা রক্ষা থাকা দরকার।
