১৬/৬. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৮০৬ - আ’দাব পশুর ব্যাখ্যা
যে ধরনের পশু কুরবানীর উপযুক্ত নয়
আ’দাব পশু বলতে কী বোঝায়
সুনানে আবূ দাউদ : ২৮০৬
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৮০৬
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ قُلْتُ لِسَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ مَا الأَعْضَبُ قَالَ النِّصْفُ فَمَا فَوْقَهُ .
ক্বাতাদাহ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করি, আ’দাব কোন ধরনের পশু? তিনি বলেন, যে পশুর কান বা শিং অর্ধেক বা ততোধিক ভাঙ্গা বা কাটা।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৮০৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে কুরবানির পশুর একটি নির্দিষ্ট দোষের ব্যাখ্যা এসেছে। কাতাদাহ (রহঃ) সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করেন, আ’দাব কোন ধরনের পশু? তিনি বলেন, যে পশুর কান বা শিং অর্ধেক বা তার চেয়ে বেশি কাটা বা ভাঙা। এই সংক্ষিপ্ত বর্ণনা কুরবানির পশু বাছাইয়ের সময় একটি মাপকাঠি বুঝতে সাহায্য করে। সব ধরনের ছোটখাটো দাগ বা ক্ষত একই পর্যায়ের নয়; কিন্তু কান বা শিংয়ের অর্ধেক বা তার বেশি অংশ নষ্ট হলে তা বড় দোষ হিসেবে গণ্য হতে পারে। তাই কুরবানির পশুর কান ও শিং পরীক্ষা করা দরকার। এই হাদিসের মূল বিষয় হলো কুরবানির পশুর দোষ বুঝে নেওয়া, বিশেষ করে আ’দাব পশুর পরিচয় জানা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আ’দাব বলতে কান বা শিংয়ের অর্ধেক বা বেশি নষ্ট হওয়া বোঝানো হয়েছে।
- কুরবানির পশুর কান ও শিং ভালোভাবে দেখা উচিত।
- বড় দোষ ও ছোট দাগের মধ্যে পার্থক্য বোঝা দরকার।
- পশু বাছাইয়ের আগে জানা ব্যক্তির কাছে জিজ্ঞেস করা ভালো।
