১৯/৯. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৯০৭ - লি‘আনের সন্তানের মীরাস
লি‘আনকারিণীর সন্তানের মীরাস সম্পর্কে
লি‘আনের সন্তানের মীরাস মায়ের দিকে
সুনানে আবূ দাউদ : ২৯০৭
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৯০৭
حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ خَالِدٍ، وَمُوسَى بْنُ عَامِرٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جَابِرٍ، حَدَّثَنَا مَكْحُولٌ، قَالَ جَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ مِيرَاثَ ابْنِ الْمُلاَعِنَةِ لأُمِّهِ وَلِوَرَثَتِهَا مِنْ بَعْدِهَا .
মাকহূল (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ব্যভিচারের অপরাধে অভিযুক্ত নারীর সন্তানের উত্তরাধিকার তার মাকে করেছেন এবং তার (মায়ের) মৃত্যুর পর তার পরবর্তীগণ এর ওয়ারিস হবে।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৯০৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, ব্যভিচারের অপরাধে অভিযুক্ত নারীর সন্তানের উত্তরাধিকার রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তার মায়ের জন্য করেছেন। মায়ের মৃত্যুর পর সেই মায়ের পরবর্তী ওয়ারিসগণ তার ওয়ারিস হবে। এখানে মূল বিষয় হলো, সন্তানের মীরাস মায়ের দিকের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। হাদিসের ভাষা খুব নির্দিষ্ট; তাই এর বাইরে অতিরিক্ত ঘটনা বা ব্যাখ্যা যোগ করা উচিত নয়। ‘লি‘আনের সন্তানের মীরাস’, ‘মায়ের উত্তরাধিকার’, ‘সন্তানের মীরাস বিধান’—এসব শব্দ এ হাদিসের সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। সহজভাবে বলা যায়, যখন পিতৃসম্পর্কের বিষয়টি আলাদা অবস্থায় থাকে, তখন এই বর্ণনায় মায়ের দিকের উত্তরাধিকার উল্লেখ হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- লি‘আন-সম্পর্কিত সন্তানের মীরাস মায়ের দিকে নির্ধারণ করা হয়েছে।
- মায়ের মৃত্যুর পর মায়ের ওয়ারিসগণ উত্তরাধিকারী হবে।
- মীরাসের বিধানে পারিবারিক সম্পর্ক স্পষ্ট করা গুরুত্বপূর্ণ।
- হাদিসের সীমার বাইরে অতিরিক্ত দাবি করা উচিত নয়।
