২০/১৯. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৯৬৪ - বনী নযীরের ফাই সম্পদ
গনীমাতের মালে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর বিশেষ অংশ (সাফী)
বনী নযীরের ফাই সম্পদ ভাগ না করার নীতি
সুনানে আবূ দাউদ : ২৯৬৪
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৯৬৪
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ ثَوْرٍ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَوْسٍ، بِهَذِهِ الْقِصَّةِ قَالَ وَهُمَا - يَعْنِي عَلِيًّا وَالْعَبَّاسَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا - يَخْتَصِمَانِ فِيمَا أَفَاءَ اللَّهُ عَلَى رَسُولِهِ مِنْ أَمْوَالِ بَنِي النَّضِيرِ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ أَرَادَ أَنْ لاَ يُوقِعَ عَلَيْهِ اسْمَ قَسْمٍ .
মালিক ইবনু আওস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি উক্ত ঘটনা সম্পর্কে বলেন, তারা উভয়ে অর্থাৎ ‘আলী ও ‘আব্বাস (রাঃ) ফাইলব্ধ সম্পদ নিয়ে বিবাদে লিপ্ত হলেন-যা বনু নাযীর গোত্রের কাছ থেকে আল্লাহ তাঁর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দান করেছিলেন। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ‘উমরের (রাঃ) ইচ্ছা ছিল এ সম্পদের উপর বন্টনের নামও নেয়া যাবে না।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৯৬৪-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আগের ঘটনার সংক্ষিপ্ত দিক এসেছে। আলী (রাঃ) ও আব্বাস (রাঃ) বনী নযীরের সেই সম্পদ নিয়ে কথা বলেন, যা আল্লাহ রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে ফাই হিসেবে দান করেছিলেন। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, উমর (রাঃ)-এর ইচ্ছা ছিল এ সম্পদের উপর বণ্টনের নামও প্রয়োগ করা না হয়। এই বক্তব্যের মূল শিক্ষা হলো, যে সম্পদ রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর নীতি অনুযায়ী সদকা ও মুসলিমদের কল্যাণে ব্যবহারের জন্য ছিল, তাকে সাধারণ ভাগ-বণ্টনের সম্পদ হিসেবে দেখা যাবে না। তাই হাদিসটি ফাই সম্পদ, বনী নযীর সম্পদ এবং নবীর রেখে যাওয়া সম্পদের তত্ত্বাবধান বিষয়ে পরিষ্কার দিকনির্দেশনা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ফাই সম্পদকে সাধারণ ব্যক্তিগত বণ্টনের সম্পদ হিসেবে ধরা যাবে না।
- বনী নযীরের সম্পদ রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর বিশেষ ফাই সম্পদের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- উমর (রাঃ) সম্পদটিকে পূর্বের অবস্থায় রাখতে চেয়েছেন।
- শরয়ী নীতি স্পষ্ট হলে শব্দ ও নামকরণেও সতর্ক থাকা দরকার।
