২১/৭৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩২২২ - কবরের কাছে বলিদান নিষিদ্ধ
পরবর্তী সময়ে কবরের উপর জানাজা পড়া
কবরের কাছে বলিদান নেই ইসলামে
সুনানে আবূ দাউদ : ৩২২২
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩২২২
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مُوسَى الْبَلْخِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «لاَ عَقْرَ فِي الإِسْلاَمِ» . قَالَ عَبْدُ الرَّزَّاقِ كَانُوا يَعْقِرُونَ عِنْدَ الْقَبْرِ بَقَرَةً أَوْ شَاةً .
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ ইসলামে কোন বলিদান নেই। ‘আবদুর রাযযাক (রহঃ) বলেন, জাহিলী যুগে লোকেরা কবরের কাছে গরু ছাগল বলি দিতো।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩২২২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, ইসলামে কোনো ‘আকর’ বা কবরের কাছে বলিদান নেই। বর্ণনায় আবদুর রাযযাক রহ. ব্যাখ্যা করেছেন যে জাহিলি যুগে লোকেরা কবরের কাছে গরু বা ছাগল বলি দিত। হাদিসটি খুব পরিষ্কারভাবে জানায়, কবরকে কেন্দ্র করে এমন বলিদানের রীতি ইসলামের অংশ নয়। এখানে “কবরের কাছে বলিদান”, “জাহিলি রীতি” এবং “ইসলামে কবরের বিধান” মূল বিষয়। হাদিসের শিক্ষা হলো, মৃতের সম্মান থাকবে, কিন্তু কবরকে ঘিরে এমন কাজ করা যাবে না যা ইসলামের নির্দেশ নয়। তাই কবর জিয়ারত, দোয়া ও শিক্ষা নেওয়া আলাদা বিষয়; আর কবরের কাছে পশু বলি দেওয়া জাহিলি প্রথা হিসেবে বর্জনীয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইসলামে কবরের কাছে পশু বলিদানের প্রথা নেই।
- জাহিলি যুগের রীতিকে ইসলামের আমল মনে করা ঠিক নয়।
- কবরের সম্মান রাখতে হবে, তবে শরিয়তবহির্ভূত কাজ থেকে দূরে থাকতে হবে।
- মৃতের জন্য উপকারের পথ হলো দোয়া ও সঠিক আমল, জাহিলি রীতি নয়।
