২২/১১. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩২৬১ - শপথে ইনশাআল্লাহ বলার বিধান
নবী (ﷺ)-এর কসমের ধরন
শপথে ইনশাআল্লাহ বলার শিক্ষা
সুনানে আবূ দাউদ : ৩২৬১
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩২৬১
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، يَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ ﷺ قَالَ : " مَنْ حَلَفَ عَلَى يَمِينٍ فَقَالَ إِنْ شَاءَ اللَّهُ فَقَدِ اسْتَثْنَى " .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি নবী (ﷺ) এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি শপথ করার পর ইনশাআল্লাহ বললো, সে ব্যতিক্রম করলো।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩২৬১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে শপথের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক বলা হয়েছে। কেউ শপথ করার পর যদি “ইনশাআল্লাহ” বলে, তাহলে সে শপথের মধ্যে একটি ব্যতিক্রম রাখল। অর্থাৎ সে নিজের কথাকে আল্লাহর ইচ্ছার সাথে যুক্ত করল। শপথে ইনশাআল্লাহ বলা মানুষকে নিজের সীমা বুঝতে শেখায়। কারণ মানুষ ইচ্ছা করলেও সব কাজ সম্পন্ন করতে পারে না, কাজ পূর্ণ হওয়া আল্লাহর ইচ্ছার উপর নির্ভর করে। এই হাদিসের মূল বিষয় হলো শপথের আদব, ইনশাআল্লাহ বলার গুরুত্ব এবং কথার মধ্যে আল্লাহর ইচ্ছাকে স্মরণ করা। তাই শপথ করার সময় তাড়াহুড়া বা অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস নয়; বরং আল্লাহর উপর নির্ভরতার ভাষা ব্যবহার করা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- শপথের সাথে “ইনশাআল্লাহ” বলা একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম হিসেবে গণ্য হয়।
- মানুষের ইচ্ছা ও কাজ আল্লাহর ইচ্ছার অধীন—এ কথা শপথেও স্মরণ রাখা দরকার।
- শপথ করার সময় কথার আদব ও দায়িত্বশীলতা বজায় রাখা উচিত।
