২২/১৯. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩২৮৩ - মুমিন দাসী মুক্তির বিধান
কসমের পর ইন শা আল্লাহ বলা
মুমিন দাসী মুক্তির ওসিয়ত
সুনানে আবূ দাউদ : ৩২৮৩
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩২৮৩
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنِ الشَّرِيدِ، : أَنَّ أُمَّهُ، أَوْصَتْهُ أَنْ يُعْتِقَ، عَنْهَا رَقَبَةً مُؤْمِنَةً فَأَتَى النَّبِيَّ ﷺ فَقَالَ : يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ أُمِّي أَوْصَتْ أَنْ أُعْتِقَ عَنْهَا رَقَبَةً مُؤْمِنَةً وَعِنْدِي جَارِيَةٌ سَوْدَاءُ نُوبِيَّةٌ فَذَكَرَ نَحْوَهُ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ : خَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ أَرْسَلَهُ لَمْ يَذْكُرِ الشَّرِيدَ .
আশ-শারীদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একদা তাঁর মা তাঁকে একটি মুমিন বাঁদী আযাদ করতে তাঁকে ওসিয়াত করেন। তিনি নবী (ﷺ) এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমার মা তাঁর পক্ষ হতে একটি মুমিন ক্রীতদাসী আযাদ করতে আমাকে ওসিয়াত করেছেন। কিন্তু আমার কাছে নুবা এলাকার একটি হাবশী ক্রীতদাসী আছে। এরপর হাদীসের বাকি অংশ উপরের হাদীসের শেষাংশের অনুরূপ। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, খালিদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ এটি মুরসালভাবে বর্ণনা করেছেন এবং আশ-শারীদের নাম উল্লেখ করেননি।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩২৮৩-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় একজন ব্যক্তি নবী صلى الله عليه وسلم-এর কাছে এসে বলেন, তার মা একটি মুমিন ক্রীতদাসী আযাদ করতে ওসিয়ত করেছেন। তার কাছে নুবা এলাকার একজন হাবশী ক্রীতদাসী ছিল। এরপর হাদিসের বাকি অংশ আগের বর্ণনার শেষাংশের মতো বলা হয়েছে। অর্থাৎ দাসীর ঈমান যাচাইয়ের প্রসঙ্গ এখানে জড়িত। এতে বোঝা যায়, মুমিন দাসী মুক্ত করার ওসিয়ত পূরণ করতে হলে দাসীর ঈমানের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। একই সঙ্গে আবু দাউদ (রহঃ) সানাদ নিয়ে মন্তব্য করেছেন যে, খালিদ ইবন আবদুল্লাহ এটি মুরসালভাবে বর্ণনা করেছেন এবং আশ-শারীদের নাম উল্লেখ করেননি। তাই এই হাদিসে বিধান ও বর্ণনাগত সতর্কতা—দুই দিকই আছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ওসিয়ত পূরণে নির্দিষ্ট শর্ত থাকলে তা খেয়াল করা দরকার।
- মুমিন দাসী মুক্ত করার বিষয়ে ঈমান যাচাইয়ের প্রসঙ্গ এসেছে।
- হাদিস বর্ণনায় সানাদের অবস্থা জানানো জ্ঞানীদের সতর্কতার অংশ।
