২৬/৮. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৬৫৬ - বিভ্রান্তিকর প্রশ্ন থেকে বারণ
ফাতাওয়া প্রদানে সাবধানতা অবলম্বন
বিভ্রান্তিকর প্রশ্ন করা থেকে নববী সতর্কতা
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৬৫৬
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৬৫৬
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى الرَّازِيُّ، حَدَّثَنَا عِيسَى، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعْدٍ، عَنِ الصُّنَابِحِيِّ، عَنْ مُعَاوِيَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ نَهَى عَنِ الْغَلُوطَاتِ .
মু‘আবিয়াহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বিভ্রান্তিকর প্রশ্ন করতে আমাদের বারণ করেছেন।
[৩৬৫৬] আহমাদ। এর সানাদে ‘আবদুল্লাহ বিন সা’দ মাজহুল।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৬৫৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, নবী صلى الله عليه وسلم আমাদেরকে বিভ্রান্তিকর প্রশ্ন করতে বারণ করেছেন। বর্ণনাটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু এর শিক্ষা স্পষ্ট। প্রশ্ন করা জ্ঞান অর্জনের একটি পথ; তবে এমন প্রশ্ন করা ঠিক নয়, যা মানুষকে বিভ্রান্ত করে, অপ্রয়োজনীয় জটিলতায় ফেলে বা সত্য জানার বদলে গোলমাল বাড়ায়। দ্বীনি জ্ঞান শেখার সময় প্রশ্নের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত বোঝা, আমল করা এবং সন্দেহ দূর করা। শুধু পরীক্ষা করা, বিতর্ক বাড়ানো বা মানুষকে আটকে দেওয়ার জন্য প্রশ্ন করা ভালো আদব নয়। এই হাদিস শিক্ষক ও শিক্ষার্থী—দুই পক্ষকেই প্রশ্নের আদব শেখায়। প্রশ্ন দরকার, কিন্তু তা হতে হবে সরল, উপকারী এবং সত্য জানার নিয়তে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রশ্নের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত সত্য জানা ও বুঝা।
- বিভ্রান্তি বাড়ায় এমন প্রশ্ন থেকে দূরে থাকা দরকার।
- দ্বীনি জ্ঞান শেখায় আদব ও নিয়ত গুরুত্বপূর্ণ।
- অপ্রয়োজনীয় জটিল প্রশ্ন মানুষকে ভুল পথে নিতে পারে।
