২৬/৯. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৬৫৮ - জানা ইলম গোপনের ভয়াবহ শাস্তি
জ্ঞানের কথা গোপন করা অপছন্দনীয়
জানা ইলম গোপন করার ভয়াবহ সতর্কতা
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৬৫৮
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৬৫৮
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ الْحَكَمِ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " مَنْ سُئِلَ عَنْ عِلْمٍ فَكَتَمَهُ أَلْجَمَهُ اللَّهُ بِلِجَامٍ مِنْ نَارٍ يَوْمَ الْقِيَامَةِ " .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
যে ব্যক্তি জানা ইলম সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হয়ে তা গোপন করলো, কিয়ামতের দিন মহান আল্লাহ তাকে আগুনের লাগাম পরিয়ে দিবেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৬৫৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জানা ইলম গোপন করার বিষয়ে কঠিন সতর্কতা এসেছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, যে ব্যক্তি এমন ইলম সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হলো যা সে জানে, কিন্তু তা গোপন করল, কেয়ামতের দিন আল্লাহ তাকে আগুনের লাগাম পরাবেন। এখানে মূল কথা হলো, প্রয়োজনের সময় সত্য জ্ঞান গোপন করা বড় অপরাধের কারণ হতে পারে। ইলম আল্লাহর দেওয়া আমানত। কেউ সঠিকভাবে জানতে চাইলে এবং উত্তর দেওয়া সম্ভব হলে, জ্ঞানী ব্যক্তির দায়িত্ব হলো সত্য কথা বলা। তবে হাদিসটি জ্ঞান ছাড়া কথা বলার অনুমতি দেয় না; বরং জানা ইলম গোপন না করার শিক্ষা দেয়। তাই একদিকে মনগড়া ফাতওয়া থেকে বাঁচতে হবে, অন্যদিকে জানা সত্যও লুকানো যাবে না।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জানা ইলম প্রয়োজনের সময় গোপন করা কঠিন সতর্কতার বিষয়।
- ইলম আল্লাহর দেওয়া আমানত; তা সঠিকভাবে পৌঁছানো দরকার।
- না জানলে বলা যাবে না, আর জানলে গোপন করাও ঠিক নয়।
- মানুষের উপকারে সত্য জ্ঞান প্রকাশ করা গুরুত্বপূর্ণ।
