২৭/৭. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৬৯০ - নাবীযের পাত্র ব্যবহারের নিষেধ
মদের পেয়ালা সম্পর্কে
দুব্বা হানতাম মুযাফফাত ও নাকীর পাত্রের নিষেধ
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৬৯০
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৬৯০
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ، حَدَّثَنَا مَنْصُورُ بْنُ حَيَّانَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، وَابْنِ، عَبَّاسٍ قَالاَ نَشْهَدُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ نَهَى عَنِ الدُّبَّاءِ وَالْحَنْتَمِ وَالْمُزَفَّتِ وَالنَّقِيرِ .
ইবনু ‘আব্বাস ও ইবনু ‘উমার (রাঃ)–এর সূত্র হতে বর্ণিতঃ
তাঁরা উভয়ে বলেন, আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নিষেধ করেছেন দুব্বা, হানতাম, মুযাফ্ফাত ও নাকীর পাত্রগুলো ব্যবহার করতে।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৬৯০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবনু উমর রা. ও ইবনু আব্বাস রা. সাক্ষ্য দিয়ে বলেন যে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم দুব্বা, হানতাম, মুযাফফাত ও নাকীর পাত্র ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন। হাদিসের মূল বিষয় হলো নাবীয ও পানীয় সংরক্ষণের পাত্রের বিধান। এসব পাত্রে পানীয় রাখলে তা দ্রুত তেজি বা নেশাকারী হয়ে যেতে পারে—ইসলামী স্কলারদের মতে এই নিষেধের পেছনে সতর্কতার দিক আছে। তবে এই হাদিসের সরাসরি শিক্ষা হলো, নবী صلى الله عليه وسلم নির্দিষ্ট কিছু পাত্রের ব্যাপারে নিষেধ দিয়েছেন। তাই পানীয়ের ক্ষেত্রে শুধু পানীয় নয়, সেটি কীভাবে রাখা হচ্ছে—সেদিকেও সতর্কতা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নাবীয বা পানীয় রাখার পাত্র সম্পর্কেও শরিয়তে নির্দেশ এসেছে।
- দুব্বা, হানতাম, মুযাফফাত ও নাকীর পাত্র থেকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
- সাহাবিরা নবী صلى الله عليه وسلم-এর নিষেধকে সাক্ষ্য দিয়ে গুরুত্বের সঙ্গে বর্ণনা করেছেন।
