২৭/১০. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৭১৩ - নাবীযের সময়সীমা ও সতর্কতা
নাবীযের বৈশিষ্ট্য
কিশমিশের নাবীয কত সময় রাখা হতো
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৭১৩
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৭১৩
حَدَّثَنَا مَخْلَدُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي عُمَرَ، يَحْيَى الْبَهْرَانِيِّ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ كَانَ يُنْبَذُ لِلنَّبِيِّ ﷺ الزَّبِيبُ فَيَشْرَبُهُ الْيَوْمَ وَالْغَدَ وَبَعْدَ الْغَدِ إِلَى مَسَاءِ الثَّالِثَةِ ثُمَّ يَأْمُرُ بِهِ فَيُسْقَى الْخَدَمَ أَوْ يُهَرَاقُ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ مَعْنَى يُسْقَى الْخَدَمَ يُبَادَرُ بِهِ الْفَسَادُ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ أَبُو عُمَرَ يَحْيَى بْنُ عُبَيْدٍ الْبَهْرَانِيُّ .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ)-এর জন্য আঙ্গুরের নাবীয বানানো হতো। তিনি তা সারা দিন পান করতেন, দ্বিতীয় দিন এবং তৃতীয় দিনও বিকাল পর্যন্ত পান করতেন। অতঃপর তিনি আদেশ দিলে অবশিষ্ট শরবত খাদেমদেরকে পান করানো হতো কিংবা ফেলে দেয়া হতো।
ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, খাদেমদের পান করানোর অর্থ হলো, তাতে নেশা প্রকাশ পাওয়ার আগে তারা তা পান করতো।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৭১৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর জন্য কিশমিশের নাবীয বানানো হতো। তিনি তা প্রথম দিন পান করতেন, পরের দিনও পান করতেন এবং তৃতীয় দিনের বিকাল পর্যন্ত পান করতেন। এরপর তিনি আদেশ দিলে অবশিষ্ট শরবত খাদেমদের পান করানো হতো অথবা ফেলে দেওয়া হতো। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) ব্যাখ্যা করেছেন, খাদেমদের পান করানোর অর্থ হলো নষ্ট হওয়ার আগেই তা দ্রুত ব্যবহার করা। এই হাদিসে মূল শিক্ষা হলো, নাবীয দীর্ঘ সময় ফেলে না রেখে সতর্কভাবে ব্যবহার করা। পানীয়ের অবস্থা বদলে যেতে পারে—এ কারণে সময়ের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। হাদিসটি নাবীযের সময়সীমা বুঝতে সহায়ক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কিশমিশের নাবীয নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত পান করার বর্ণনা এসেছে।
- অবশিষ্ট নাবীয নষ্ট হওয়ার আগে ব্যবহার বা ফেলে দেওয়ার কথা এসেছে।
- পানীয়ের অবস্থা বদলে যেতে পারে—তাই সতর্ক থাকা দরকার।
