২৮/১৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৭৬৩ - খাবারের দোষ না ধরার সুন্দর আদব
খাদ্যদ্রব্যের সমালোচনা করা অপছন্দনীয়
খাবারের দোষ না ধরা নবী صلى الله عليه وسلم-এর আদব
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৭৬৩
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৭৬৩
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ مَا عَابَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ طَعَامًا قَطُّ إِنِ اشْتَهَاهُ أَكَلَهُ وَإِنْ كَرِهَهُ تَرَكَهُ.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কখনও খাদ্যের দোষ বর্ণনা করতেন না। রুচি হলে তিনি খেতেন, আর রুচি না হলে বাদ দিতেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৭৬৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবু হুরায়রা (রাঃ) নবী صلى الله عليه وسلم-এর খাবারের আদব বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم কখনো কোনো খাবারের দোষ বলতেন না। খাবার তাঁর রুচি হলে খেতেন, আর রুচি না হলে তা রেখে দিতেন। এই শিক্ষা খুব সহজ, কিন্তু দৈনন্দিন জীবনে খুব দরকারি। অনেক সময় খাবার পছন্দ না হলে মানুষ কঠিন কথা বলে, রান্নাকারীকে কষ্ট দেয়, বা খাবারকে ছোট করে। নবী صلى الله عليه وسلم-এর আচরণ ছিল নম্র। তিনি খাবার অপছন্দ হলে তা নিয়ে অভিযোগ না করে চুপচাপ বাদ দিতেন। তাই খাবারের দোষ না ধরা, কৃতজ্ঞ থাকা এবং অন্যের মন না ভাঙা—এসবই এই হাদিসের মূল বার্তা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- খাবার পছন্দ না হলে দোষ না ধরে শান্তভাবে ছেড়ে দেওয়া উত্তম।
- খাবার নিয়ে কঠিন কথা বলা অন্যকে কষ্ট দিতে পারে।
- নবী صلى الله عليه وسلم-এর খাবারের আদব ছিল নম্রতা ও সংযমের শিক্ষা।
