২৮/২৫. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৭৮৬ - জাল্লালার দুধ পান নিষেধ
জাল্লালা ও তার দুধ পান নিষেধ
জাল্লালা প্রাণীর দুধ পান সম্পর্কে নবীজির নিষেধ
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৭৮৬
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৭৮৬
حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنِي أَبُو عَامِرٍ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ نَهَى عَنْ لَبَنِ الْجَلاَّلَةِ .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) জাল্লালার দুধ পান করতে নিষেধ করেছেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৭৮৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সংক্ষিপ্তভাবে বলা হয়েছে, নবী صلى الله عليه وسلم জাল্লালার দুধ পান করতে নিষেধ করেছেন। জাল্লালা বলতে এমন প্রাণীকে বোঝানো হয়, যে নাপাক বস্তু খায়। তাই “জাল্লালার দুধ”, “জাল্লালা প্রাণীর বিধান” এবং “নাপাক খাদক প্রাণী” বিষয়ে এই বর্ণনা সরাসরি দিকনির্দেশনা দেয়। হাদিসটি গোশতের কথা না বলে শুধু দুধের কথা উল্লেখ করেছে। তাই ব্যাখ্যায়ও এই সীমা রক্ষা করা দরকার। খাবার বা পানীয় গ্রহণের সময় শুধু বাহ্যিক রূপ নয়, উৎসের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। এই হাদিসে অতিরিক্ত আলোচনা নেই; মূল শিক্ষা হলো—যে দুধ সম্পর্কে নবী صلى الله عليه وسلم নিষেধ করেছেন, তা থেকে বিরত থাকা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জাল্লালা প্রাণীর দুধ পান থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
- খাবার-পানীয়ের উৎস জানা গুরুত্বপূর্ণ।
- হাদিসের সীমা মেনে ব্যাখ্যা করা উচিত।
