২৮/২৬. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৭৮৮ - খায়বারে গাধা ও ঘোড়ার গোশত
ঘোড়ার গোশত খাওয়া সম্পর্কে
খায়বারে গাধার গোশত নিষেধ ও ঘোড়ার অনুমতি
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৭৮৮
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৭৮৮
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ نَهَانَا رَسُولُ اللَّهِ ﷺ يَوْمَ خَيْبَرَ عَنْ لُحُومِ الْحُمُرِ وَأَذِنَ لَنَا فِي لُحُومِ الْخَيْلِ.
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) খায়বার বিজয়ের দিন আমাদেরকে গাধার গোশত খেতে বারণ করেছেন এবং ঘোড়ার গোশত খাওয়ার অনুমতি দিয়েছেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৭৮৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে খায়বার বিজয়ের দিনের একটি খাবারসংক্রান্ত নির্দেশ এসেছে। জাবির রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم তাদেরকে গাধার গোশত খেতে বারণ করেছিলেন এবং ঘোড়ার গোশত খাওয়ার অনুমতি দিয়েছিলেন। তাই “গাধার গোশত হারাম”, “ঘোড়ার গোশত হালাল” এবং “খায়বারের দিন গোশতের বিধান” বিষয়ে এই হাদিস খুব সরাসরি। এখানে খচ্চরের কথা নেই; শুধু গাধা ও ঘোড়ার কথা আছে। তাই ব্যাখ্যায় একই সীমা রাখা দরকার। হাদিসটি দেখায়, খাবার বিষয়ে সাহাবিরা নিজেদের পছন্দ নয়, নবী صلى الله عليه وسلم-এর নির্দেশকে অনুসরণ করতেন। খাবারের হালাল-হারাম বুঝতে হাদিসের নির্দিষ্ট ভাষা গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- খায়বারের দিনে গাধার গোশত খেতে নিষেধ করা হয়েছে।
- একই বর্ণনায় ঘোড়ার গোশত খাওয়ার অনুমতি এসেছে।
- খাবারের বিধানে নবী صلى الله عليه وسلم-এর নির্দেশই মূল মানদণ্ড।
