২৮/২৭. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৭৯২ - খরগোশের গোশত নিয়ে নবীজির আচরণ
খরগোশের গোশত খাওয়া সম্পর্কে
খরগোশের গোশত: না খাওয়া ও নিষেধ না করার শিক্ষা
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৭৯২
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৭৯২
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ خَلَفٍ، حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَالِدٍ، قَالَ سَمِعْتُ أَبِي خَالِدَ بْنَ الْحُوَيْرِثِ، يَقُولُ إِنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرٍو كَانَ بِالصِّفَاحِ - قَالَ مُحَمَّدٌ مَكَانٌ بِمَكَّةَ - وَإِنَّ رَجُلاً جَاءَ بِأَرْنَبٍ قَدْ صَادَهَا فَقَالَ يَا عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرٍو مَا تَقُولُ قَالَ قَدْ جِيءَ بِهَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ ﷺ وَأَنَا جَالِسٌ فَلَمْ يَأْكُلْهَا وَلَمْ يَنْهَ عَنْ أَكْلِهَا وَزَعَمَ أَنَّهَا تَحِيضُ .
খালিদ ইবনু হুওয়াইরিস (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) ‘আস-সাফাহ’ নামক স্থানে ছিলেন। মুহাম্মাদ ইবনু খালিদ বলেন, তা মক্কায় অবস্থিত একটি স্থান। এক লোক একটি খরগোশ শিকার করে আনলো। সে বললো, হে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর! আপনি কি বলেন? তিনি বললেন, একদা রাসূলুল্লাহ্র (ﷺ) নিকট এর গোশত আনা হয়। তখন আমি সেখানে বসা ছিলাম। তিনি তা আহার করেননি এবং অন্যকে খেতে নিষেধ করেননি। তাঁর ধারণা, এর মাসিক ঋতু হয়।
[৩৭৯২] বায়হাক্বী। এর সানাদে খালিদ ইবনু হুওয়াইরিসঃ মাক্ববূল।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৭৯২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আব্দুল্লাহ ইবনু আমর রা.-এর কাছে খরগোশের গোশত সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়। তিনি জানান, একবার রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর কাছে খরগোশের গোশত আনা হয়েছিল, আর তিনি তখন সেখানে বসা ছিলেন। নবী صلى الله عليه وسلم তা খাননি এবং অন্য কাউকে খেতেও নিষেধ করেননি। বর্ণনায় আরও আছে, তাঁর ধারণা ছিল এর মাসিক ঋতু হয়। তাই “খরগোশের গোশত”, “নবী صلى الله عليه وسلم খরগোশ খাননি” এবং “খেতে নিষেধ করেননি”—এই তিনটি দিক একসঙ্গে বুঝতে হবে। হাদিসে সরাসরি হারাম বলা হয়নি। আবার নবী صلى الله عليه وسلم নিজে না খাওয়ার কথাও এসেছে। তাই সহজ ভাষায় বলা যায়, এই বর্ণনা ব্যক্তিগত না খাওয়া ও নিষেধ না করার পার্থক্য শেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী صلى الله عليه وسلم খরগোশের গোশত খাননি—এ কথা বর্ণনায় এসেছে।
- তিনি অন্যদের খেতে নিষেধও করেননি।
- নিজে না খাওয়া মানেই সব সময় নিষেধ নয়—এ পার্থক্য বুঝতে হয়।
