২৯/৫. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৮৬১ - হিজামার তারিখ ও রোগের শিফা
রক্তমোক্ষণের উত্তম সময়
হিজামার উপকারী তারিখ ও রোগ থেকে শিফা
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৮৬১
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৮৬১
حَدَّثَنَا أَبُو تَوْبَةَ الرَّبِيعُ بْنُ نَافِعٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْجُمَحِيُّ، عَنْ سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «مَنِ احْتَجَمَ لِسَبْعَ عَشْرَةَ وَتِسْعَ عَشْرَةَ وَإِحْدَى وَعِشْرِينَ كَانَ شِفَاءً مِنْ كُلِّ دَاءٍ».
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি প্রতি মাসের সতেরো, উনিশ বা একুশ তারিখে রক্তমোক্ষণ করাবে, তা সকল রোগের মহা ঔষধ।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৮৬১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم রক্তমোক্ষণ বা হিজামা করার কিছু নির্দিষ্ট তারিখের কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতি মাসের সতেরো, উনিশ বা একুশ তারিখে রক্তমোক্ষণ করাবে, তা সকল রোগের মহৌষধ হবে। হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, চিকিৎসা গ্রহণ ইসলামে স্বীকৃত একটি বিষয়, আর হিজামা সেই সময়ের পরিচিত চিকিৎসা পদ্ধতির একটি ছিল। এখানে হিজামার তারিখ হিসেবে ১৭, ১৯ ও ২১ তারিখ বিশেষভাবে এসেছে। তাই “হিজামার সুন্নত তারিখ”, “রক্তমোক্ষণ চিকিৎসা” এবং “হিজামার উপকারিতা” বিষয়ে এই হাদিসটি গুরুত্বপূর্ণ। তবে কোনো চিকিৎসা গ্রহণের আগে নিজের অবস্থা, নিরাপত্তা ও যোগ্য চিকিৎসকের পরামর্শ বিবেচনা করা উচিত—এটি সাধারণ সতর্কতার বিষয়, হাদিসের বাইরে আলাদা দাবি নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- চিকিৎসা গ্রহণ করা ইসলামের দৃষ্টিতে অনুমোদিত ও প্রয়োজনীয় হতে পারে।
- হিজামার জন্য ১৭, ১৯ ও ২১ তারিখের কথা এই হাদিসে এসেছে।
- রোগ হলে উপায় গ্রহণ করা তাওয়াক্কুলের বিপরীত নয়।
- স্বাস্থ্য বিষয়ে অবহেলা না করে শরীরের যত্ন নেওয়া উচিত।
