২৯/৯. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৮৬৮ - নুশরাহ শয়তানের কাজ
নুশরাহ (শয়তানী মন্ত্র)
নুশরাহ সম্পর্কে নবীজির কঠোর সতর্কতা
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৮৬৮
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৮৬৮
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، حَدَّثَنَا عَقِيلُ بْنُ مَعْقِلٍ، قَالَ سَمِعْتُ وَهْبَ بْنَ مُنَبِّهٍ، يُحَدِّثُ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ عَنِ النُّشْرَةِ فَقَالَ «هُوَ مِنْ عَمَلِ الشَّيْطَانِ " .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে নুশরাহ সম্বন্ধে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেনঃ এগুলো শয়তানের কার্যকলাপ।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৮৬৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-কে নুশরাহ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “এটা শয়তানের কার্যকলাপ।” হাদিসে নুশরাহ কীভাবে করা হতো তার বিস্তারিত নেই; তাই ব্যাখ্যাও সেই সীমার মধ্যে থাকা উচিত। মূল শিক্ষা হলো, এমন কিছু চিকিৎসা বা ঝাড়ফুঁক পদ্ধতি আছে যা শয়তানি কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে এবং সেগুলো থেকে সতর্ক থাকা দরকার। “নুশরাহ হাদিস”, “যাদুর চিকিৎসা”, “শয়তানের কাজ” এবং “ইসলামে নিষিদ্ধ ঝাড়ফুঁক” বিষয়ে এই হাদিসটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে সব ধরনের বৈধ দোয়া বা কুরআনভিত্তিক আমলকে নুশরাহ বলা হচ্ছে না। হাদিসে যে নুশরাহ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়েছিল, সেটিকেই শয়তানের কাজ বলা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- শয়তানি পদ্ধতির চিকিৎসা বা ঝাড়ফুঁক থেকে দূরে থাকতে হবে।
- সব চিকিৎসা বৈধ নয়; পদ্ধতির ধরনও গুরুত্বপূর্ণ।
- অস্পষ্ট বা সন্দেহজনক আমল সম্পর্কে সতর্ক থাকা দরকার।
- হাদিসের বক্তব্যকে তার নির্দিষ্ট বিষয়েই সীমাবদ্ধ রাখা উচিত।
