৩২/১. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৯৮৪ - নিজের জন্য দোয়া ও মূসার ঘটনা
কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম
দোয়ায় আগে নিজের জন্য প্রার্থনা ও ধৈর্যের শিক্ষা
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৯৮৪
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৯৮৪
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى، أَخْبَرَنَا عِيسَى، عَنْ حَمْزَةَ الزَّيَّاتِ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ أُبَىِّ بْنِ كَعْبٍ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ إِذَا دَعَا بَدَأَ بِنَفْسِهِ وَقَالَ «رَحْمَةُ اللَّهِ عَلَيْنَا وَعَلَى مُوسَى لَوْ صَبَرَ لَرَأَى مِنْ صَاحِبِهِ الْعَجَبَ وَلَكِنَّهُ قَالَ { إِنْ سَأَلْتُكَ عَنْ شَىْءٍ بَعْدَهَا فَلاَ تُصَاحِبْنِي قَدْ بَلَغْتَ مِنْ لَدُنِي ﴿" . طَوَّلَهَا حَمْزَةُ .
উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন দোয়া করতেন তখন প্রথমে নিজের জন্য দোয়া করতেন এবং বলতেনঃ আমাদের উপর এবং মূসার উপর আল্লাহর রহমত। যদি তিনি ধৈর্য ধারণ করতেন, তাহলে তিনি তাঁর সঙ্গী (খিযির) থেকে আশ্চর্যকর জিনিস দেখতে পেতেন। বরং তিনি ধৈর্য না ধরে বলেনঃ إِنْ سَأَلْتُكَ عَنْ شَىْءٍ بَعْدَهَا فَلاَ تُصَاحِبْنِي قَدْ بَلَغْتَ مِنْ لَدُنِي। ক্বারী হামযাহ শব্দটি দীর্ঘ করে পাঠ করেন।
[৩৯৮৪]
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৯৮৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে উবাই ইবনু কাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم যখন দোয়া করতেন, তখন প্রথমে নিজের জন্য দোয়া করতেন। এরপর তিনি বলতেন, “আমাদের উপর এবং মূসার উপর আল্লাহর রহমত।” তারপর মূসা (আঃ)-এর ধৈর্যের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, যদি তিনি ধৈর্য ধরতেন, তাহলে তাঁর সঙ্গীর কাছ থেকে আরও আশ্চর্য বিষয় দেখতে পেতেন। এরপর আয়াতের অংশ উল্লেখ করা হয়েছে: “এরপর যদি আমি আপনাকে কোনো বিষয়ে জিজ্ঞেস করি, তাহলে আপনি আমাকে সঙ্গে রাখবেন না; আমার পক্ষ থেকে আপনি অজুহাত পেয়ে গেছেন।” এখানে দোয়া, আল্লাহর রহমত চাওয়া এবং ধৈর্যের শিক্ষা একসঙ্গে এসেছে। হাদিসটি কুরআনের আয়াত পাঠের ধরনও উল্লেখ করেছে, বিশেষ করে “লাদুন্নি” শব্দের দীর্ঘ পাঠের দিকে ইঙ্গিত করেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দোয়া করার সময় নিজের জন্য দোয়া করা নবী صلى الله عليه وسلم-এর আমলের মধ্যে এসেছে।
- মূসা (আঃ)-এর ঘটনায় ধৈর্যের একটি শিক্ষা আছে।
- আল্লাহর রহমত চাওয়া দোয়ার সুন্দর অংশ।
- কুরআনের শব্দ পাঠে সূক্ষ্ম উচ্চারণও সংরক্ষিত হয়েছে।
