৩২/১. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৯৯৪ - ফাহাল মিম মুদ্দাকির পাঠ
কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম
ফাহাল মিম মুদ্দাকির: নবীজির ভারী পাঠ
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৯৯৪
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৯৯৪
حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ كَانَ يَقْرَؤُهَا ﴾ فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ ﴿ يَعْنِي مُثَقَّلاً . قَالَ أَبُو دَاوُدَ مَضْمُومَةَ الْمِيمِ مَفْتُوحَةَ الدَّالِ مَكْسُورَةَ الْكَافِ .
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) এই আয়াত এভাবে পড়তেনঃ فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ।
ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, মীম অক্ষর পেশ, দাল অক্ষর যবর এবং কাফ অক্ষর যের বিশিষ্ট হবে।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৯৯৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে, নবী صلى الله عليه وسلم আয়াতটি এভাবে পড়তেন: “ফাহাল মিম মুদ্দাকির।” বর্ণনায় বলা হয়েছে, এটি ভারীভাবে পড়া। ইমাম আবু দাউদ (রহঃ) আরও স্পষ্ট করে বলেন, মীম অক্ষরে পেশ, দাল অক্ষরে যবর এবং কাফ অক্ষরে যের হবে। এই হাদিস কুরআনের কিরাআতের খুব সূক্ষ্ম অংশ সংরক্ষণ করেছে। এখানে আয়াতের অর্থ নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা নেই; বরং শব্দের ধ্বনি, ভারী পাঠ এবং অক্ষরের হারাকাত নিয়ে বর্ণনা আছে। যারা কুরআন শুদ্ধভাবে পড়তে চান, তাঁদের জন্য এই হাদিস মনে করিয়ে দেয়—একটি শব্দের সঠিক উচ্চারণও সাহাবি ও মুহাদ্দিসদের কাছে গুরুত্ব পেয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুরআনের অক্ষরের হারাকাতও নির্ভরযোগ্যভাবে বর্ণিত হয়েছে।
- নবী صلى الله عليه وسلم-এর পাঠভঙ্গি শেখা কিরাআতের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- শুদ্ধ তিলাওয়াতে শব্দের ভারী বা হালকা পাঠের দিকেও নজর দিতে হয়।
