৩৪/৩০. অধ্যায়ঃ

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪০৯৭ - নারী-পুরুষের বেশ ধারণের নিষেধ

নারীদের পোশাক

নারী-পুরুষের বেশভূষা নিয়ে সতর্কতা

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪০৯৭

حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ أَنَّهُ لَعَنَ الْمُتَشَبِّهَاتِ مِنَ النِّسَاءِ بِالرِّجَالِ وَالْمُتَشَبِّهِينَ مِنَ الرِّجَالِ بِالنِّسَاءِ .

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) অভিশাপ দিয়েছেন যেসব নারী পুরুষের বেশ ধারণ করে এবং যেসব পুরুষ নারীদের বেশ ধারণ করে।

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪০৯৭-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) এমন নারীদের প্রতি অভিশাপ দিয়েছেন, যারা পুরুষের বেশ ধারণ করে; এবং এমন পুরুষদের প্রতিও অভিশাপ দিয়েছেন, যারা নারীদের বেশ ধারণ করে। হাদিসের মূল শিক্ষা হলো পোশাক ও বেশভূষায় নারী-পুরুষের স্বাভাবিক পরিচয় ও শালীনতা রক্ষা করা। এখানে কোনো অতিরিক্ত ব্যাখ্যা নেই; সরাসরি কঠোর সতর্কতা এসেছে। তাই এই বিষয়ে কথা বলার সময় হাদিসের ভাষার সীমা রাখা দরকার। পোশাক, আচরণ বা বাহ্যিক পরিচয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে বিপরীত লিঙ্গের অনুকরণ করা থেকে বারণ করা হয়েছে। মুসলিম জীবনে পোশাক শুধু ফ্যাশন নয়, বরং পরিচয়, শালীনতা ও আখলাকের সঙ্গেও জড়িত।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নারী-পুরুষের বেশভূষায় শালীন পার্থক্য রক্ষা করা উচিত।
  • ইচ্ছাকৃতভাবে বিপরীত লিঙ্গের বেশ ধারণ থেকে বারণ এসেছে।
  • পোশাক মুসলিম পরিচয় ও আখলাকের অংশ।
  • কঠোর ভাষার হাদিস হলে তা সতর্কতার সঙ্গে বোঝা দরকার।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন