৩৫/১. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪১৫৯ - চুল আঁচড়ানোর ক্ষেত্রে সংযম
অধিক জাঁকজমক প্রদর্শন নিষেধ
চুল আঁচড়ানোর ক্ষেত্রে সংযমের সুন্নাহ
সুনানে আবূ দাউদ : ৪১৫৯
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪১৫৯
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ هِشَامِ بْنِ حَسَّانَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ﷺ عَنِ التَّرَجُّلِ إِلاَّ غِبًّا .
আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সব সময় চুল আঁচড়াতে নিষেধ করেছেন, তবে একদিন পরপর (আঁচড়ালে দোষ নেই)।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪১৫৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) চুল সব সময় আঁচড়াতে নিষেধ করেছেন, তবে একদিন পরপর বা মাঝে মাঝে আঁচড়ানোর কথা এসেছে। এখানে মূল শিক্ষা হলো সাজসজ্জা ও পরিচর্যায় সংযম। ইসলাম পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা পছন্দ করে, কিন্তু মানুষ যেন নিজের সাজগোজ নিয়ে অতিরিক্ত ব্যস্ত না হয়ে যায়—এই সতর্কতাও আছে। চুল আঁচড়ানো স্বাভাবিক কাজ; হাদিসে তা পুরোপুরি বন্ধ করার কথা বলা হয়নি। বরং “সব সময়” বা অতিরিক্ত মনোযোগ দেওয়া থেকে বিরত থাকার শিক্ষা এসেছে। এতে বোঝা যায়, মুসলিমের ব্যক্তিগত যত্ন হবে পরিমিত, পরিচ্ছন্ন ও অহংকারমুক্ত। আজকের দিনে চুল, পোশাক ও বাহ্যিক সাজ নিয়ে মানুষ অনেক সময় বেশি ব্যস্ত থাকে। এই হাদিস মনে করিয়ে দেয়, নিজেকে পরিষ্কার রাখা ভালো, কিন্তু বারবার সাজানোকে জীবনের বড় বিষয় বানানো ঠিক নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- চুল সব সময় আঁচড়ানো থেকে নবীজি (صلى الله عليه وسلم) নিষেধ করেছেন।
- মাঝে মাঝে বা একদিন পরপর চুল আঁচড়ানোর সুযোগ হাদিসে এসেছে।
- ব্যক্তিগত পরিচর্যায় সংযম রাখা ভালো আদব।
- সাজগোজে অতিরিক্ত ব্যস্ততা থেকে সতর্ক থাকা দরকার।
